বিক্ষোভে অংশ নেওয়া সকিয়া আহমাদ, একজন ইরানি-মার্কিন বিক্ষোভকারী, বলেন, "নেতানিয়াহু আসলে একজন যুদ্ধাপরাধী, যার জায়গা হোয়াইট হাউসে নয়, দ্য হেগের আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে।" তিনি বলেন, "ওয়াশিংটন ডিসি যুদ্ধাপরাধীদের আশ্রয়স্থল হয়ে উঠেছে, কিন্তু নেতানিয়াহু তাদের মধ্যেও সবচেয়ে নৃশংস।"
ট্রাম্পের গাজার উচ্ছেদ পরিকল্পনার বিরুদ্ধে আরব দেশগুলো ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা একে ‘জাতিগত নিধন’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। অন্যদিকে, চীন, রাশিয়া, জর্ডান এবং সউদী আরব এই পরিকল্পনার কঠোর সমালোচনা করেছে।
বিক্ষোভকারীরা নেতানিয়াহুর মুখমণ্ডলসহ "ওয়ান্টেড" পোস্টার হোয়াইট হাউস সংলগ্ন হোটেলের দেয়ালে প্রজেক্ট করেন। তারা "গণহত্যার জন্য নয়, বাসস্থানের জন্য অর্থ প্রদান করুন" লেখা পোস্টারও বহন করেন। এক নারী আমেরিকার স্বাধীনতার প্রতীক 'স্ট্যাচু অফ লিবার্টি'র পোশাক পরে বিক্ষোভে অংশ নেন, যেখানে তাকে ইসরায়েলি বাহিনীর ভূমিকায় অভিনয় করা বিক্ষোভকারীরা শৃঙ্খলাবদ্ধ করে টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন।
প্রতিবাদকারীরা বলছেন, ট্রাম্প যদি সত্যিই আমেরিকার স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেন, তবে তাকে ইসরায়েলের প্রতি অন্ধ সমর্থন বন্ধ করতে হবে। মানবাধিকার সংগঠন কোড পিংকের সহ-প্রতিষ্ঠাতা মেদিয়া বেঞ্জামিন বলেন, "নেতানিয়াহুর জায়গা হোয়াইট হাউসে নয়, বরং আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে।" ট্রাম্পের নীতির বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনপন্থী আন্দোলন আরও জোরদার হচ্ছে, যা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। তথ্যসূত্র : বিবিসি