২৪ মার্চ রাতে এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা আনাদোলু।
রাজধানী আঙ্কারায় মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর এরদোগোন বলেন, ‘গত কয়েক সপ্তাহ ধরে উত্তপ্ত বিতর্ক দেখিয়ে দিয়েছে যে— তুরস্ককে ছাড়া ইউরোপীয় নিরাপত্তা সম্ভব হবে না। ’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের দেশের প্রতি ইউরোপের চাহিদা প্রকাশ্যে স্বীকার করা শুরু হয়েছে, কেবল নিরাপত্তার দিক থেকে নয়, অর্থনীতি থেকে কূটনীতি এবং বাণিজ্য থেকে সামাজিক জীবন পর্যন্ত অনেক ক্ষেত্রেই। আমাদের ইউরোপীয় বন্ধুরা যখন যুক্তিসঙ্গত ভিত্তিতে তাদের নীতিমালা গঠন করে, তখন তারা তুরস্কের সঙ্গে সম্পর্কের গুরুত্বও বোঝে। আমরা এগুলোকে তুর্কি-ইইউ সম্পর্কের ভবিষ্যতের জন্য আশাব্যঞ্জক পদক্ষেপ হিসেবে দেখি। ‘
তিনি আরও বলেন, ইউরোপীয় দেশ এবং ইইউর সঙ্গে সম্পর্ককে অভিন্ন স্বার্থ এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধার কাঠামোতে এগিয়ে নিতে প্রস্তুত তুরস্ক। ’
এরদোগান আরও বলেন, আঙ্কারা ইউক্রেনের যুদ্ধের সর্বশেষ ঘটনাবলী নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেছে এবং শুরু থেকেই নিজেদের সঠিক অবস্থানে রেখেছে।
তিনি বলেন, শান্তির কোনও পরাজয় নেই, তুরস্ক এটিই প্রতিটি মঞ্চে জোর দিয়ে বলেছে।
তার ভাষায়, ‘আমরা আজও একই অবস্থান বজায় রেখেছি। এই যুদ্ধ যখন চতুর্থ বছরে প্রবেশ করছে, তখন আমরা আরও রক্তপাত বা ধ্বংস ছাড়াই ন্যায়সঙ্গত শান্তির মাধ্যমে সংঘাত সমাপ্তির আশা করি। যুক্তরাষ্ট্রের ৩০ দিনের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবের প্রতি রাশিয়ার আংশিক ইতিবাচক প্রতিক্রিয়াকে আমরা শান্তির পথে বিনয়ী কিন্তু মূল্যবান পদক্ষেপ হিসেবে দেখছি। ’