চিফ প্রসিকিউটার বলেন, মামলার তদন্ত প্রায় শেষ পর্যায়ে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গণহত্যা, পরিকল্পিত সহিংসতা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের নানা তথ্য-উপাত্ত জড়ো করা হয়েছে।
তাজুল ইসলাম বলেন, তদন্তে এমন সব সাক্ষ্যপ্রমাণ উঠে এসেছে; যা থেকে স্পষ্ট যে, অভিযুক্তরা রাষ্ট্রীয় শক্তি ব্যবহার করে নিরীহ জনগণের বিরুদ্ধে সহিংসতা চালিয়েছেন। ভিকটিমদের সাক্ষ্য নেওয়ার পাশাপাশি ভিডিও ফুটেজ ও ড্রোন ফুটেজও সংগ্রহ করা হয়েছে।
ট্রাইব্যুনাল জানায়, তদন্ত শেষ হলে প্রতিবেদন পর্যালোচনার ভিত্তিতে মামলাটি প্রসিকিউশনের জন্য প্রস্তুত করা হবে। এরপর অভিযোগ গঠন, শুনানি এবং বিচারিক কার্যক্রম শুরু হবে।