calendar_today সোমবার, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ • ১৯ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
কুরআন প্রতিযোগিতার বিশ্বমঞ্চে জাকারিয়াপ্রথম বাংলাদেশি , আনন্দে মাতোয়ারা তার গ্রাম ◆ সরকার উৎখাতের চেষ্টায় কী পেল আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্যে সাত দশকের ? ◆ ইউনূস আমলের ১৮ মাস: উঠেছে যেসব গুরুতর আইনি প্রশ্ন ◆ আধুনিক ও সবুজ ঢাকা গড়তে একসঙ্গে কাজ করবে এবিজি-ডিএনসিসি ◆ আইসিসিবিতে সেপ্টেম্বর থেকে ‘সুপার সেল কার বাজার’ ◆ মরিনহোর জাদুতে ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষায় কোর্তোয়া ◆ ​শিক্ষকতা থেকে রাজনীতি: সততা ও ত্যাগের এক অনন্য দৃষ্টান্ত ◆ ব্যাংক খাত সংস্কার ও পুনঃমূলধনীকরণের উদ্যোগ ‎এডিবির সহায়তায় ◆ সালাহউদ্দিন আহমেদ এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ◆ নিঝুম দ্বীপের বালির ২৫ শতাংশই ভারী খনিজ ◆ এবার জেন আলফার আন্দোলনে উত্তাল ভারত,জেন জি’র পর ◆ ফ্যাসিস্ট’ তকমার আড়ালে কি চাপা পড়ছে ইতিহাসের প্রশ্ন?
home হোম / আন্তর্জাতিক / মস্কোর বাসিন্দারা পুতিনের যুদ্ধবিরতিতে সন্দিহান
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
আন্তর্জাতিক বিশেষ প্রতিবেদন

মস্কোর বাসিন্দারা পুতিনের যুদ্ধবিরতিতে সন্দিহান

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনের সঙ্গে ইস্টার উপলক্ষ্যে ৩০ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিলেও মস্কোর বাসিন্দারা একে শান্তির পথ বলে মনে করছেন না। শনিবার মস্কোর দক্ষিণাঞ্চলের এক শান্ত পাড়ায় বাসিন্দারা হতাশ...

person
বিশেষ প্রতিনিধি verified
Reporter
schedule প্রকাশ: রবিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৫ • বিকাল ০৫:৫৭
history আপডেট: ১ বছর আগে
timer ৪ মিনিট পড়ার সময়
visibility ৯৭ বার পঠিত

৮৫ বছর বয়সি মারিয়া গোরানিনা মনে করেন, ইউক্রেন এই বিরতিকে শুধু পুনরায় সংগঠিত হওয়ার সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করবে। 

তিনি বলেন, ‘ওরা আবার সংঘবদ্ধ হয়ে হামলা চালাবে। আমি চাই চিরদিনের জন্য ইউক্রেনের সঙ্গে শান্তি হোক।’

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়ে দিয়েছেন, কিয়েভ এই যুদ্ধবিরতি মেনে চলবে, তবে একইসঙ্গে তিনি রাশিয়ার সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে নতুন স্থল ও বিমান হামলার মাধ্যমে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগও তুলেছেন।

পুতিন গত মাসে যুক্তরাষ্ট্রের ৩০ দিনের পূর্ণ ও নিঃশর্ত যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন, যদিও কিয়েভ তখন সেই প্রস্তাবে সম্মত হয়েছিল। এখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুমকি দিয়েছেন, যদি দ্রুত ফলপ্রসূ অগ্রগতি না হয়, তবে তিনি আর এই মধ্যস্থতায় থাকবেন না।

৬১ বছর বয়সি স্বেতলানা হতাশ কণ্ঠে বলেন, ‘তিন বছর ধরে চলা যুদ্ধে এত মানুষ পঙ্গু, নিহত হয়েছে, আর আমরা এখন কিছু অংশ দখলে নিয়ে থেমে যাব? তাহলে এর মানে কী? সবই বৃথা?’

রাশিয়ার সেনাবাহিনী শনিবার দাবি করেছে, তারা কুরস্ক সীমান্ত অঞ্চলের একটি গ্রাম পুনরায় দখল করেছে, যেখানে ইউক্রেন গত আগস্টে এক সাহসী অভিযান চালিয়ে বহু কিলোমিটার এলাকা দখল করেছিল। এখন সেখানে ইউক্রেনের নিয়ন্ত্রণ শুধু একটুকরো এলাকায় সীমাবদ্ধ। রাশিয়া আরও এগিয়ে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় সুমি অঞ্চলেও প্রবেশ করেছে।

৫৮ বছর বয়সি ইয়েভগেনি পাভলোভ মনে করেন না, ইউক্রেনকে এখন বিরতির সুযোগ দেওয়া উচিত। 

তিনি বলেন, ‘আমি ইউক্রেনকে বিশ্বাস করি না। যুদ্ধবিরতির নামে ওরা আবার হামলা চালাবে, বিরতি দেওয়ার প্রয়োজন নেই। য দি চাপ দিই, তবে শেষ অবধি চাপে রাখতে হবে।’

পুতিন এই যুদ্ধবিরতিকে ‘মানবিক পদক্ষেপ’ হিসেবে বর্ণনা করলেও সাধারণ মানুষের মধ্যে সন্দেহের জায়গা থেকেই গেছে। পরিস্থিতি যেখানে এখন দাঁড়িয়েছে, সেখানে এই সাময়িক বিরতি শান্তির পথে বাস্তবিক কোনও অগ্রগতি আনবে—এমন আশা মস্কোর অনেকেরই নেই।