তিনি বলেন, ‘দেশে যে মূল্যবান ঐক্য ও সংহতি সৃষ্টি হয়েছে, তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি জাতীয় সম্পদ—এর ধারাবাহিকতা বজায় রাখা আবশ্যক।’
ভবিষ্যতের আশাব্যঞ্জক দিক তুলে ধরে পেজেশকিয়ান বলেন, ‘ইরানি জাতির বিজয়ের পর দেশের সামনে আরও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ রয়েছে। তবে সেই ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে জনগণের মধ্যে এই ঐক্য অক্ষুণ্ণ রাখার ওপর।’
তিনি দাবি করেন, ‘শত্রুরা ইরানি সশস্ত্র বাহিনীর হাতে যে পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি ও আঘাত পেয়েছে, তা ইরানের চেয়ে অনেক বেশি।’
পেজেশকিয়ান বলেন, ‘জায়োনিস্ট শত্রুর এই দুঃসাহসী কর্মকাণ্ড তাদের ওপর বিশাল খরচ চাপিয়ে দিয়েছে এবং এর মাধ্যমে গোটা বিশ্বের কাছে ইরানি জাতির মহত্ত্ব প্রমাণিত হয়েছে।’
ইরানি প্রেসিডেন্ট জোর দিয়ে বলেন, ‘বিজয়ের পর যে গর্ব, তা জনগণের কারণেই এসেছে এবং এই জন্য তাদের নিজেদের নিয়ে গর্বিত হওয়া উচিত।’
বার্তার শেষ অংশে প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান বলেন, ‘ইরান আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সহাবস্থানে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে। ইরানের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা মুসলিম ও প্রতিবেশী দেশগুলোর সেবায় নিয়োজিত। আঞ্চলিক দেশগুলোর সতর্কতা ও প্রজ্ঞা—এই দুটি গুণই শত্রুদের বিভাজনমূলক চক্রান্ত ব্যর্থ করে দিতে পারবে।’ সূত্র: মেহের নিউজ