ইউক্রেনের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, সর্বশেষ হামলায় ড্রোন, ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রসহ প্রায় ৫০০ ধরনের ‘আকাশ অস্ত্র’ ব্যবহার করেছে রাশিয়া।
ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী আরো জানিয়েছে, “বিশাল আক্রমণ প্রতিহত করার জন্য প্রতিরক্ষা বাহিনীর সব উপলব্ধ উপায় মোতায়েন করা হয়েছিল।”
ইউক্রেনের বিমান বাহিনী জানিয়েছে, ইউক্রেনীয় এফ-১৬ যুদ্ধবিমানটির পাইলট তার যথাসাধ্য চেষ্টা করেছিলেন এবং বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার আগে একটি বসতি থেকে দূরে সরিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন।
টেলিগ্রামে এক পোস্টে বিমান বাহিনী বলেছে, “পাইলট তার সব ধরনের বিমান অস্ত্র ব্যবহার করে সাতটি লক্ষ্যবস্তুতেগুলি চালিয়ে ভূপাতিত করেছেন। শেষটি গুলি করার সময়, তার বিমানটি ক্ষতিগ্রস্ত হয় ও উচ্চতা হারাতে শুরু করে।”
ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, রাশিয়া রাতভর ইউক্রেনে ৪৭৭টি ড্রোন ও বিভিন্ন ধরনের ৬০টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। এর মধ্যে ইউক্রেনীয় বাহিনী ২১১টি ড্রোন ও ৩৮টি ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করেছে। এছাড়া আরো ২৫৫টি ড্রোন বা সিমুলেটরের পথ পরিবর্তন করা হয়েছে।
ইউক্রেনীয় বাহিনী দেশের ছয়টি স্থানে রাশিয়ার ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্রের সরাসরি আঘাত হানার তথ্য রেকর্ড করেছে।
মধ্য চেরকাসি অঞ্চলের গভর্নর ইহোর তাবুরেটস টেলিগ্রামে একটি পোস্টে বলেছেন, রুশ বাহিনীর হামলায় এক শিশুসহ ছয়জন আহত হয়েছেন। তিনি আরো জানান, হামলায় তিনটি বহুতল ভবন ও একটি কলেজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
স্থানীয় কর্মকর্তারা বলছেন, দক্ষিণ ইউক্রেনের মাইকোলাইভ ও মধ্য ডনিপ্রোপেট্রোভস্ক অঞ্চলে শিল্প স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
দেশের পশ্চিমে অবস্থিত লভিভ অঞ্চলের গভর্নর বলেছেন, রাশিয়া গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোকে লক্ষ্য হামলা চালিয়েছে । তবে তিনি ক্ষয়ক্ষতির কোনো তথ্য দেননি।