বাংলাদেশ ছাড়াও জোট বাঁধা দেশের তালিকায় রয়েছে, চীন-তুরস্কের মত পরাশক্তি দেশও। তাছাড়া আলজেরিয়া, বলিভিয়া, ব্রাজিল, চিলি, কিউবা, জিবুতি, হন্ডুরাস, ইন্দোনেশিয়া, আয়ারল্যান্ড, লেবানন, মালয়েশিয়া, নামিবিয়া, নিকারাগুয়া, ওমান, পর্তুগাল, স্পেন, কাতার, গ্রেনাডিনস, উরুগুয়ে আর ফিলিস্তিন রয়েছে এই তালিকায়। ল্যাটিন আমেরিকা থেকে শুরু করে আফ্রিকা সবাই এখন জাগ্রত ফিলিস্তিনের মুসলমানদের রক্ষায়।
আগামী ১৫ ও ১৬ জুলাই কলম্বিয়ার রাজধানী বোগোটায় এই ২৩ দেশের সমন্বিত জোটের একটি বৈঠক অনুষ্টিত হবে। মূলত আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় ইসরাইলের দায়মুক্তির সংস্কৃতির অবসান ঘটানো এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করাই এই জোটের লক্ষ্য। এই জোট অনতিবিলম্বে গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসন বন্ধে কাজ করবে একত্রিত হয়ে। ইতিমধ্যে এই জোটে বিশ্বের অন্য মুসলিম দেশগুলোসহ অন্যরাও অংশ নিতে আগ্রহ জানাচ্ছে, তারা যুক্ত হলে এই জোটের শক্তি আরও বাড়বে।
কলম্বিয়ায় অনুষ্টিত হতে যাওয়া এই সম্মেলনের আয়োজন করছে কলম্বিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকা। জানুয়ারিতে গঠিত এই গ্রুপ ইতোমধ্যে বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার ও ন্যায়বিচারের পক্ষে কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে চলমান ইসরায়েলি হামলায় গাজা উপত্যকায় নিহত হয়েছেন প্রায় ৫৮ হাজার ফিলিস্তিনি। লাখো মানুষ হয়েছেন বাস্তুচ্যুত আর খাবারের খোঁজে এখনো দাঁপিয়ে বেড়াচ্ছেন ২০ হাজারেরও বেশি অসহায় নিরীহ বেসামরিক গাজাবাসী। বিশ্লেষকরা বলছে, ২৩ দেশের এই জোটের সাথে প্রভাবশালী অন্য দেশগুলো এগিয়ে আসলেই কেবল সম্ভব কট্টর ইহুদিবাদী ইসরায়েলকে গণহত্যার পথ থেকে থামানো আর ফিলিস্তিনকে একটি শান্তিপূর্ণ স্বাধীন দেশ উপহার দেওয়া।