calendar_today সোমবার, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ • ১৯ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
কুরআন প্রতিযোগিতার বিশ্বমঞ্চে জাকারিয়াপ্রথম বাংলাদেশি , আনন্দে মাতোয়ারা তার গ্রাম ◆ সরকার উৎখাতের চেষ্টায় কী পেল আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্যে সাত দশকের ? ◆ ইউনূস আমলের ১৮ মাস: উঠেছে যেসব গুরুতর আইনি প্রশ্ন ◆ আধুনিক ও সবুজ ঢাকা গড়তে একসঙ্গে কাজ করবে এবিজি-ডিএনসিসি ◆ আইসিসিবিতে সেপ্টেম্বর থেকে ‘সুপার সেল কার বাজার’ ◆ মরিনহোর জাদুতে ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষায় কোর্তোয়া ◆ ​শিক্ষকতা থেকে রাজনীতি: সততা ও ত্যাগের এক অনন্য দৃষ্টান্ত ◆ ব্যাংক খাত সংস্কার ও পুনঃমূলধনীকরণের উদ্যোগ ‎এডিবির সহায়তায় ◆ সালাহউদ্দিন আহমেদ এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ◆ নিঝুম দ্বীপের বালির ২৫ শতাংশই ভারী খনিজ ◆ এবার জেন আলফার আন্দোলনে উত্তাল ভারত,জেন জি’র পর ◆ ফ্যাসিস্ট’ তকমার আড়ালে কি চাপা পড়ছে ইতিহাসের প্রশ্ন?
home হোম / আন্তর্জাতিক / পুতিন কেন মুচকি হেসে চলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রচণ্ড চাপেও ?
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
আন্তর্জাতিক বিশেষ প্রতিবেদন

পুতিন কেন মুচকি হেসে চলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রচণ্ড চাপেও ?

আধমরা ইউক্রেনকে টিকিয়ে রাখতে ট্রাম্প যখন হুঁশিয়ারি দিয়ে পুতিনকে থামাতে চান, তখন রুশ প্রেসিডেন্ট যেন কেবল এক মুচকি হাসি দেন। বিষয়টি নিছক উদাসীনতা নয়, বরং আত্মবিশ্বাস। কারণ, যুদ্ধের মাঠে পুতিন দেখছেন, বিজয় ধীরে ধীরে...

person
বিশেষ প্রতিনিধি verified
Reporter
schedule প্রকাশ: বুধবার, ৬ আগস্ট ২০২৫ • বিকাল ০৪:০৫
history আপডেট: ১ বছর আগে
timer ৪ মিনিট পড়ার সময়
visibility ১১০ বার পঠিত

যত প্রযুক্তি বা অস্ত্রই থাকুক, যুদ্ধক্ষেত্রে জয় পেতে দরকার পর্যাপ্ত সৈন্য। অথচ ইউক্রেনের রিজার্ভ সেনা ক্রমেই কমছে। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ১৮ থেকে ৬০ বছর বয়সী ইউক্রেনীয় পুরুষদের বিশেষ অনুমতি ছাড়া দেশ ছাড়ার সুযোগ নেই। বাধ্যতামূলক সেনা নিয়োগেও অনেকে যোগ দিতে অনাগ্রহী।

ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর সদস্য সংখ্যা দ্বিগুণ হয়েছে। রাশিয়ার সক্রিয় সৈন্য সংখ্যা ইউক্রেনের চেয়ে ৪ লাখ ২০ হাজার বেশি। রিজার্ভ ও আধাসামরিক বাহিনী ধরা হয়নি। রাশিয়ার বেশিরভাগ সেনাই নিজ দেশের নাগরিক, বিদেশি ভাড়াটে নয়।

অন্যদিকে ইউক্রেনের বাহিনীতে সহিংস নৈরাজ্যবাদী, বিদেশি যোদ্ধা, চরমপন্থী, বেসরকারি সামরিক ঠিকাদার, ভাড়াটে, স্বেচ্ছাসেবকসহ নানা গোষ্ঠীর এক বিশৃঙ্খল মিশ্রণ দেখা গেছে। তাদের অনেকেই নিহত বা বন্দি হয়েছেন, ফলে ইউক্রেনের যোদ্ধার সংখ্যা কমতে শুরু করেছে।

এখন রাশিয়া নতুন করে বিদেশি সৈন্য নিয়োগ করছে এবং তাদের যথেষ্ট আর্থিক সুবিধা দিচ্ছে। মধ্য এশিয়া, সিরিয়া, কিউবা, ভারত, নেপাল থেকে অনেকেই রাশিয়ার পক্ষে যোগ দিচ্ছেন। রটার্সের খবরে বলা হয়েছে, উত্তর কোরিয়া ইউক্রেন আক্রমণে প্রায় ১০ হাজার সৈন্য পাঠিয়েছে—যা বিশ্বজুড়ে দৃষ্টি কেড়েছে।

এছাড়া রাশিয়া চুক্তিভিত্তিক সৈন্যদের ওপর নির্ভরতা বাড়াচ্ছে। তবে পশ্চিমা সংবাদমাধ্যমগুলো প্রচার করছে, রাশিয়া ৫০ বছরের বেশি বয়সীদেরও সেনাবাহিনীতে নিচ্ছে এবং শারীরিক মানদণ্ডে ছাড় দিচ্ছে। পাশাপাশি, সামরিক ব্যয় বৃদ্ধির ফলে রাশিয়ার অর্থনীতিতে মন্দার শঙ্কার কথাও বলছে তারা।

কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাশিয়ার অর্থনীতি বর্তমানে কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান, যুক্তরাজ্য এমনকি যুক্তরাষ্ট্রকেও ছাড়িয়ে গেছে। ২০২৪ সালে রুশ অর্থনীতি ৪.৩ শতাংশ হারে বেড়েছে, যেখানে যুক্তরাজ্যের প্রবৃদ্ধি ১.১ শতাংশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের ২.৮ শতাংশ।

এই বাস্তবতায় রাশিয়ার শক্তিশালী হয়ে ওঠা ঠেকাবে কে? আর পুতিন কেনই বা মার্কিন প্রেসিডেন্টের কথায় উঠবস করবেন?