সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির তথ্য অনুযায়ী, বিক্ষোভস্থলের ফুটেজে দেখা গেছে—নেতা-কর্মীরা প্ল্যাকার্ড হাতে স্লোগান দিচ্ছেন, পুলিশের ব্যারিকেডে ধাক্কা দিচ্ছেন এবং কেউ কেউ তা টপকানোর চেষ্টা করছেন। এসময় তৃণমূল সাংসদ মিতালি বাগ অজ্ঞান হয়ে পড়লে রাহুল গান্ধী তাকে সহায়তা করেন। পুলিশ আগেই সংসদ ভবনের চারপাশে ব্যারিকেড বসিয়ে রাস্তা বন্ধ করে ও বিপুলসংখ্যক নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করে রেখেছিল। ফলে সংসদের দুই কক্ষই দুপুর ২টা পর্যন্ত মুলতবি করা হয়।
বিরোধীরা অভিযোগ করেছে, মহারাষ্ট্র ও কর্নাটকসহ কয়েকটি রাজ্যে ভোটার তালিকা বদলে বিজেপির জয় নিশ্চিত করা হয়েছে। রাহুল গান্ধী গত সপ্তাহে ‘ইন্ডিয়া’ জোটের বৈঠকে প্রমাণসহ দাবি করেন, দেশে ব্যাপক ভোটার জালিয়াতি চলছে এবং ভোটার তালিকার খসড়া অনলাইনে সার্চযোগ্য আকারে প্রকাশের দাবি জানান। এছাড়া বিহারের ভোটার তালিকা নিয়ে নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত ‘বিশেষ নিবিড় সংশোধনী’ প্রক্রিয়াকে বিরোধীরা বেআইনি ও উদ্দেশ্যমূলক বলে অভিযোগ করেছে। এ প্রক্রিয়া সুপ্রিম কোর্টে চ্যালেঞ্জ করা হলে আদালত শর্তসাপেক্ষে অনুমতি দেয়—প্রকৃত ভোটার বাদ না পড়া এবং ইতোমধ্যে বাদ পড়া প্রায় ৬৫ লাখ ভোটারকে আপিলের সুযোগ দেওয়ার শর্তে।
সব অভিযোগ অস্বীকার করে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, তাদের প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ স্বচ্ছ এবং সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতেই এসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। কমিশন রাহুল গান্ধীকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বলেছে, তিনি যেন স্বাক্ষরিত হলফনামায় তার অভিযোগের প্রমাণ দেন। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এই আটককে গণতন্ত্রের ওপর আঘাত হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। তারা বলছে, সরকার জনগণের কণ্ঠরোধ করতে বিরোধী নেতাদের ভয় দেখাচ্ছে। অন্যদিকে, পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়—নিরাপত্তা ও জনশৃঙ্খলা বজায় রাখতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তথ্যসূত্র : এনডিটিভি