এখন স্বৈরাচার বিতাড়িত হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা কি চেয়েছিলাম, স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল জনগণের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা, জনগণের বাক-ব্যক্তি স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠিত করা। আজ স্বৈরাচার পালিয়ে গিয়েছে। জনগণের শাসন ও তাদের রাজনৈতিক অধিকার আমাদেরকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। সারাবিশ্বে জনগণের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার মূল পন্থা হলো তাদের সরাসরি ভোট প্রয়োগের ব্যবস্থা করা। সেই ভোট প্রয়োগের মাধ্যমে জনগণ নির্ধারণ করবে, জনগণের উন্নয়নের জন্য কে আগামীদিনে একটি নির্দিষ্ট মেয়াদ পর্যন্ত এদেশকে পরিচালনা ও কাজ করবে।
তারেক রহমান বলেন, আমরা দেখছি, অন্তর্বর্তী সরকার সেই পথে ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছে। কিছুদিন আগে সরকারের পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হয়েছে, আগামী রমজানের আগে ইনশাআল্লাহ দেশে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে জনগণের অধিকারে প্রথম পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হবে। এখন শুধু ভোট হলেই হবে না, ভোটের মাধ্যমে শুধু সরকার গঠন করলেই হবে না। সাধারণ মানুষ আপনাদের (বিএনপি’র নেতাকর্মী) কাছে জানতে চায়, দেশের ভবিষ্যৎ কি, আগামীদিনে বিএনপি কীভাবে কি করবে- কেন জানতে চায়? কারণ দেশের জনগণ, অধিকাংশ জনগণ বিএনপি’র ওপর আস্থা রাখতে চায়। আমরা দৃৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, ইনশাআল্লাহ দেশের অধিকাংশ জনগণের সমর্থন ধানের শীষ তথা বিএনপি পাবে।
নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, বিএনপি’র সকল নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আমরা যদি ঐক্যবদ্ধ হতে না পারি তাহলে আমরা চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করতে পারবো না। জনগণের আস্থা এবং বিশ্বাস আমাদের উপরে আছে। কিন্তু এই বিশ্বাস এবং আস্থা ধরে রাখার দায়িত্ব জনগণের না। এটা ধরে রাখার দায়িত্ব আমাদের সকলের। আমাদের প্রতিজ্ঞা দুটি, এক ঐক্যবদ্ধ থাকা, দুই আগামীদিনে জনগণের আস্থা অর্জনের মাধ্যমে দেশ আমরা পুনর্গঠন করবো।