বাংলাদেশি রোগীদের জন্য কুনমিংয়ে হালাল খাবারসহ থাকা-খাওয়ার বিশেষ ব্যবস্থাও রয়েছে। কিছু প্রতিষ্ঠান এই খাতে কাজ করছে যাতে রোগী ও স্বজনদের ভোগান্তি কম হয়। যদিও বর্তমানে ঢাকা থেকে কুনমিংয়ে চলাচল করছে মাত্র একটি ফ্লাইট। তবে চলতি বছরের শেষ দিকে চট্টগ্রাম থেকে আরেকটি ফ্লাইট চালু হওয়ার কথা রয়েছে।
বাংলাদেশি কনসাল জেনারেল ও চীনে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূতের তথ্য অনুযায়ী, চিকিৎসা ভিসা পাওয়ার প্রক্রিয়াও এখন সহজ ও দ্রুত। বিশেষভাবে গঠন করা হয়েছে ‘গ্রীন চ্যানেল’, যার মাধ্যমে জরুরি অবস্থায় এক দিনের মধ্যেই ভিসা প্রদান করা হচ্ছে এবং অন্যান্য নিয়মকানুনও অনেকটা সহজ করা হয়েছে।
সব মিলিয়ে বলা যায়, কুনমিং এখন শুধু বসন্তের শহর নয়, বরং বাংলাদেশের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য চিকিৎসা কেন্দ্র হিসেবেও নিজেদের জায়গা করে নিচ্ছে। অপরদিকে কট্টর ইসলাম বিদ্বেষী ভারতের দাদাবাবুরা এখন বাংলাদেশি রোগী আর পর্যটক হারিয়ে মাথায় হাত দিয়ে কান্না করছে আর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে দুষছে তার কৃতকর্মের জন্য।
ফ্যাসিস্ট হাসিনা ভারতের পালানোর পর বাংলাদেশিদের সমস্ত ভিসা দেওয়া বন্ধ করে দেয় মোদি সরকার। চিকিৎসা ভিসা বন্ধ করে চরম অমানুষের পরিচয় দেয় দাদারা। কিন্তু, নোবেল বিজয়ী ড. ইউনুসের অন্তর্বর্তী সরকারের এক চালেই উল্টো কুপোকাত এখন ভারত। পরম বন্ধু চীন বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়ে ব্যবস্থা করেছে স্বল্প খরচে চিকিৎসার। আর এতেই এখন রীতিমতো মাথায় হাত ভারতের দাদাবাবুদের।