এ সময় তার স্ত্রী ও সন্তানদেরও সাক্ষাৎ করার সুযোগ দেওয়া হয়নি।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, মৃত্যুর পর ঢাকায় জানাজা অনুষ্ঠিত করতে না দিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৌহিদী জনতার ওপর কাঁদানে গ্যাস, সাউন্ড গ্রেনেড ও গুলি চালায়, যাতে বহু মানুষ আহত হয়। পরে পিরোজপুরের গ্রামের বাড়িতে জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়।
তিনি আরও বলেন, ‘অর্ধ শতাব্দীর বেশি সময় ধরে আল্লামা সাঈদী দেশে-বিদেশে কুরআনের তাফসির করেছেন। তার বক্তব্য ও রচনাবলী প্রজন্মকে ইসলামী আদর্শে অনুপ্রাণিত করছে। সংসদ সদস্য ও বিভিন্ন কমিটিতে দায়িত্ব পালন করেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।’
জামায়াত আমীর আল্লাহর কাছে তাঁর জন্য জান্নাতুল ফেরদাউস কামনা করেন এবং তাঁর রেখে যাওয়া দাওয়াতি কর্মপন্থা অনুসরণের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে নেতাকর্মী ও দেশবাসীকে ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।
তাঁর প্রত্যাশা ছিল শাহাদাতের মৃত্যু। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তাঁর মৃত্যুকে শহীদি মৃত্যু হিসেবে কবুল করুন। আমি জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মী এবং প্রিয় দেশবাসীকে আল্লামা সাঈদীর জীবনের স্বপ্ন একটি কল্যাণমূলক ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাচ্ছি।