পরে রুশ প্রেসিডেন্ট কাছাকাছি একটি স্মৃতিসৌধ কবরস্থানে গিয়ে সোভিয়েত পাইলটদের কবরের কাছে ফুল অর্পণ করেন।
এটি ছিল প্রায় এক দশক পর পুতিনের যুক্তরাষ্ট্র সফর। এর আগে তিনি ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের বার্ষিক অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েছিলেন।
এদিকে সিএনএনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আলোচনায় রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বিন্দুমাত্র নমনীয় হননি, যুদ্ধের ‘মূল কারণ’ নিয়ে কথা বলেছেন এবং অবস্থান পরিবর্তনের কোনো ইঙ্গিত দেননি। হুমকির সুরে তিনি কিয়েভ ও ইউরোপীয় মিত্রদের সতর্কও করেছেন—তার টেনে আনা চলমান প্রক্রিয়ায় যেন তারা হস্তক্ষেপ না করে। ট্রাম্পকে ক্লান্ত ও বিরক্ত দেখাচ্ছিল।