বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘এই পরিকল্পনাটি গাজা উপত্যকায় ২২ মাসেরও বেশি সময় ধরে চলমান গণহত্যা বন্ধে যুদ্ধবিরতি ও বন্দিবিনিময় চুক্তিতে কাজ করা মধ্যস্ততাকারীদের প্রচেষ্টাকে অসম্মান করে।’
বিবৃতিতে হামাস জোর দিয়ে বলেছে, ‘তারা মধ্যস্থতাকারীদের উপস্থাপিত যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব গ্রহণ করলেও, ইসরাইলি সরকার শহরটিকে ধ্বংস এবং দক্ষিণে জনগণকে বাস্তুচ্যুত করার লক্ষ্যে গাজার নিরীহ বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে নৃশংস যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার উপর জোর দিচ্ছে।’
এতে আরও বলা হয়েছে, ‘প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মধ্যস্থতাকারীদের প্রস্তাবের প্রতি অবজ্ঞা এবং সাড়া না দেওয়া থেকে বোঝা যায় যে, তিনিই চুক্তি লঙ্ঘনকারী, বন্দিদের জীবনের তিনি পরোয়া করেন না এবং তাদের ফিরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে আন্তরিক নন।’
বিবৃতিতে মধ্যস্ততাকারীদের প্রতি ফিলিস্তিনি জনগণের বিরুদ্ধে গণহত্যা বন্ধে ইসরাইলের উপর সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগের আহ্বান জানানো হয়েছে।
গত ৮ আগস্ট ইসরাইলের নিরাপত্তা মন্ত্রিসভা গাজার উত্তরে অবস্থিত গাজা শহর দখলের পরিকল্পনা অনুমোদন করেছে। মন্ত্রিসভার বৈঠকের আগে, নেতানিয়াহু এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, ইসরাইল গাজা উপত্যকা সম্পূর্ণরূপে দখল করার লক্ষ্য নিয়েছে।
গতকাল বুধবার কাটজ গাজা শহর দখলের পরিকল্পনাও অনুমোদন করেছেন। এরপরই বৃহস্পতিবার উপত্যকাটিতে অভিযান শুরু করেছে দখলদার বাহিনী।
পরিকল্পনা অনুসারে, প্রায় ১০ লাখ ফিলিস্তিনিকে প্রথমে দক্ষিণে বাস্তুচ্যুত করা হবে। অন্যদিকে ব্যাপক হামলা চালিয়ে শহরটিকে অবরোধ করা হবে এবং তারপর দখল করা হবে।