প্রথম মেয়াদে ট্রাম্প ও কিম তিনবার বৈঠক করেছেন। ট্রাম্প দাবি করেন, কিম তার সঙ্গে খুব ভালো ব্যবহার করেছিলেন এবং মনে করিয়ে দেন, তাদের সম্পর্ক একসময় ঘনিষ্ঠ ছিল। তিনি বলেন, ‘আমরা একে অপরের প্রেমে পড়েছিলাম।’ তবে শেষ পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক চুক্তি হয়নি।
এদিকে ইউক্রেন যুদ্ধের পর কিম আরও আক্রমণাত্মক হয়ে উঠেছেন। রাশিয়ার কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ সমর্থন পাওয়ার পাশাপাশি তিনি হাজার হাজার উত্তর কোরীয় সেনা যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত রেখেছেন।