calendar_today সোমবার, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ • ১৯ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
কুরআন প্রতিযোগিতার বিশ্বমঞ্চে জাকারিয়াপ্রথম বাংলাদেশি , আনন্দে মাতোয়ারা তার গ্রাম ◆ সরকার উৎখাতের চেষ্টায় কী পেল আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্যে সাত দশকের ? ◆ ইউনূস আমলের ১৮ মাস: উঠেছে যেসব গুরুতর আইনি প্রশ্ন ◆ আধুনিক ও সবুজ ঢাকা গড়তে একসঙ্গে কাজ করবে এবিজি-ডিএনসিসি ◆ আইসিসিবিতে সেপ্টেম্বর থেকে ‘সুপার সেল কার বাজার’ ◆ মরিনহোর জাদুতে ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষায় কোর্তোয়া ◆ ​শিক্ষকতা থেকে রাজনীতি: সততা ও ত্যাগের এক অনন্য দৃষ্টান্ত ◆ ব্যাংক খাত সংস্কার ও পুনঃমূলধনীকরণের উদ্যোগ ‎এডিবির সহায়তায় ◆ সালাহউদ্দিন আহমেদ এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ◆ নিঝুম দ্বীপের বালির ২৫ শতাংশই ভারী খনিজ ◆ এবার জেন আলফার আন্দোলনে উত্তাল ভারত,জেন জি’র পর ◆ ফ্যাসিস্ট’ তকমার আড়ালে কি চাপা পড়ছে ইতিহাসের প্রশ্ন?
home হোম / আন্তর্জাতিক / এইডসের টিকা তৈরি করতে চায় দুই বছরের মধ‍্যে রাশিয়া
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
আন্তর্জাতিক বিশেষ প্রতিবেদন

এইডসের টিকা তৈরি করতে চায় দুই বছরের মধ‍্যে রাশিয়া

মানবদেহে এইচআইভি (HIV) ভাইরাসজনিত রোগ এইডসের প্রতিরোধে ভ্যাকসিন আগামী দুই বছরের মধ্যে প্রস্তুত করতে চায় রাশিয়া। দেশটির রাজধানী মস্কোর গামালেয়া সেন্টারের শীর্ষস্থানীয় মহামারী বিশেষজ্ঞের উদ্ধৃতি দিয়ে রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ব...

person
বিশেষ প্রতিনিধি verified
Reporter
schedule প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৮ আগস্ট ২০২৫ • বিকাল ০৩:২৮
history আপডেট: ১ বছর আগে
timer ২ মিনিট পড়ার সময়
visibility ১৮৮ বার পঠিত

বহুল প্রত্যাশিত এইচআইভি ভ্যাকসিনটি তৈরি হচ্ছে এমআরএনএ (mRNA) প্রযুক্তিভিত্তিকভাবে। ইনস্টিটিউটটির এপিডেমিওলজি বিভাগের প্রধান ভ্লাদিমির গুশচিন জানিয়েছেন, প্রচলিত ভ্যাকসিনের তুলনায় এমআরএনএ ভ্যাকসিন শরীরে জেনেটিক নির্দেশনা সরবরাহ করে। যা কোষকে নির্দিষ্ট প্রোটিন তৈরি করতে শেখায় এবং প্রতিরোধ প্রতিক্রিয়া সক্রিয় করে। এর ফলে শরীর ভাইরাসটিকে চিনতে পারে এবং সংক্রমিত হলে তার বিরুদ্ধে লড়তে সক্ষম হয়।

দেশটির চিকিৎসা ও অনুজীববিজ্ঞান গবেষণা বিষয়ক সরকারি প্রতিষ্ঠান গামালিয়া ন্যাশনাল সেন্টার ইতোমধ্যে টিকা তৈরির কাজ শুরু করে দিয়েছে। সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী ২ বছর বা তারও কম সময়ের মধ্যেই বাজারে আসার জোর সম্ভাবনা আছে এই টিকার।

বুধবার গামালিয়া ন্যাশনাল সেন্টারের মহামারিবিদ্যা (এপিডেমিওলজি) বিভাগের প্রধান গুশচিন বলেছেন, আমরা বর্তমানে এমন প্রথম অ্যান্টিজেন তৈরির পর্যায়ে আছি যা ব্যাপকভাবে নিরপেক্ষীকরণকারী ইমিউন প্রতিক্রিয়া তৈরি করতে সক্ষম হবে। টিকার সাফল্য নির্ভর করছে আমরা যে ইমিউনোজেন ব্যবহার করছি। তা সব ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে সুরক্ষা দিতে পারে কি না তার উপর।