যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, ভারত রাশিয়ান তেল থেকে মুনাফা করছে। অন্যদিকে ভারতীয় কর্মকর্তাদের ভাষ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন যখন রাশিয়ান গ্যাস কিনছে তখন কেন শুধুমাত্র ভারতকে আলাদা করে দোষারোপ করা হচ্ছে। চীন রাশিয়ান তেলের সবচেয়ে বড় আমদানিকারক।
যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত ৫০ শতাংশ শুল্ক আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হবে। এর আগে ট্রাম্প প্রশাসন ভারতীয় পণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছিল এবং রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনার কারণে অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শাস্তিমূলক শুল্ক চাপানো হয়।
এই সিদ্ধান্তের পর ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, 'ভারতকে লক্ষ্যবস্তু করা অন্যায্য ও অযৌক্তিক' এবং যেকোনো বড় অর্থনীতির মতো ভারতও তার জাতীয় স্বার্থ ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গত মাসের বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে রাশিয়ার ৬৭.৫ বিলিয়ন ইউরোর পণ্য বাণিজ্য হয়েছিল।
এছাড়া, ২০২৩ সালে তাদের ১৭.২ বিলিয়ন ইউরোর সেবা বাণিজ্য ছিল, যা ওই বছর বা পরবর্তীতে ভারতের মোট রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্যের তুলনায় অনেক বেশি।
২০২৪ সালে ইউরোপের এলএনজি আমদানি ১৬.৫ মিলিয়ন টনে পৌঁছায়, যা ২০২২ সালের রেকর্ড ১৫.২১ মিলিয়ন টনকেও ছাড়িয়ে যায়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ইউরোপ-রাশিয়া বাণিজ্যের মধ্যে শুধু জ্বালানি নয়, সার, খনিজজাত পণ্য, রাসায়নিক, লোহা-ইস্পাত, যন্ত্রপাতি ও পরিবহন সামগ্রীও অন্তর্ভুক্ত।
তথ্যসূত্র: এনডিটিভি