ইউরোপীয় দেশগুলো ইতিমধ্যেই সতর্ক করে জানিয়েছে, ইরান যদি তার পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত না করে এবং আন্তর্জাতিক পরিদর্শকদের প্রবেশাধিকার না দেয়, তবে তারা নিষেধাজ্ঞা স্থগিত রাখবে না। জাতিসংঘের পারমাণবিক সংস্থা (আইএইএ) জানিয়েছে, ইরান অনুমোদিত সীমার চেয়ে ৪০ গুণ বেশি ইউরেনিয়াম মজুত করেছে।
২০১৫ সালের পরমাণু চুক্তি অনুযায়ী ইরান কিছু সীমাবদ্ধতার বিনিময়ে নিষেধাজ্ঞা থেকে সুবিধা পেয়েছিল। কিন্তু ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একতরফাভাবে চুক্তি থেকে সরে গিয়ে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন। পরবর্তীতে বাইডেন প্রশাসনও একই নীতি অনুসরণ করেছে।
খামেনি বলেন, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে চায় না, তবে শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারের অধিকার থেকে সরে আসবে না। তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে ‘বিশ্বের এক নম্বর সন্ত্রাসী পৃষ্ঠপোষক’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
এদিকে, আলোচনায় অগ্রগতি না হলে শনিবার থেকে নিষেধাজ্ঞা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যকর হবে। এর ফলে ইরানের বিদেশি সম্পদ জব্দ, অস্ত্র চুক্তি স্থগিত এবং ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিতে বাধা আসতে পারে। পাশাপাশি, ইরানি সংসদের কট্টরপন্থী সদস্যরা ইতিমধ্যেই পারমাণবিক বোমা তৈরির দাবি তুলেছেন।
তবে কিছুটা আশার আলোর কথাও শোনা যাচ্ছে। আইএইএ প্রধান রাফায়েল গ্রোসি জানিয়েছেন, যদি রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকে, তবে তারা পরিদর্শক দল পাঠাতে প্রস্তুত। তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকলে পথ বের করা সম্ভব।’