calendar_today সোমবার, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ • ১৯ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
কুরআন প্রতিযোগিতার বিশ্বমঞ্চে জাকারিয়াপ্রথম বাংলাদেশি , আনন্দে মাতোয়ারা তার গ্রাম ◆ সরকার উৎখাতের চেষ্টায় কী পেল আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্যে সাত দশকের ? ◆ ইউনূস আমলের ১৮ মাস: উঠেছে যেসব গুরুতর আইনি প্রশ্ন ◆ আধুনিক ও সবুজ ঢাকা গড়তে একসঙ্গে কাজ করবে এবিজি-ডিএনসিসি ◆ আইসিসিবিতে সেপ্টেম্বর থেকে ‘সুপার সেল কার বাজার’ ◆ মরিনহোর জাদুতে ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষায় কোর্তোয়া ◆ ​শিক্ষকতা থেকে রাজনীতি: সততা ও ত্যাগের এক অনন্য দৃষ্টান্ত ◆ ব্যাংক খাত সংস্কার ও পুনঃমূলধনীকরণের উদ্যোগ ‎এডিবির সহায়তায় ◆ সালাহউদ্দিন আহমেদ এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ◆ নিঝুম দ্বীপের বালির ২৫ শতাংশই ভারী খনিজ ◆ এবার জেন আলফার আন্দোলনে উত্তাল ভারত,জেন জি’র পর ◆ ফ্যাসিস্ট’ তকমার আড়ালে কি চাপা পড়ছে ইতিহাসের প্রশ্ন?
home হোম / জাতীয় / শ্রম সংস্কার বাস্তবায়ন বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে ভূমিকা রাখবে : প্রধান উপদেষ্টা
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
জাতীয় বিশেষ প্রতিবেদন

শ্রম সংস্কার বাস্তবায়ন বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে ভূমিকা রাখবে : প্রধান উপদেষ্টা

আগামী ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের আগে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) কনভেনশনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ গুরুত্বপূর্ণ শ্রম সংস্কার বাস্তবায়নে অন্তর্বর্তী সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক...

person
বিশেষ প্রতিনিধি verified
Reporter
schedule প্রকাশ: শুক্রবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫ • রাত ১১:২৭
history আপডেট: ১ বছর আগে
timer ৭ মিনিট পড়ার সময়
visibility ২২৯ বার পঠিত

তিনি বলেন, এসব সংস্কার বাংলাদেশে ব্যাপক বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে আয়োজিত নৈশভোজে শ্রম আইন, শ্রমিক অধিকার এবং দেশে চলমান সংস্কার প্রচেষ্টার ওপর একটি উচ্চপর্যায়ের সংলাপে এ কথা বলেন প্রধান উপদেষ্টা।

নৈশভোজে প্রধান উপদেষ্টার সফরসঙ্গী তিন দলের ছয় রাজনৈতিক, বাংলাদেশের কূটনীতিক, জাতিসংঘ কর্মকর্তারা অংশ নেন।

 

সংলাপে শ্রম আইন, শ্রমিকের অধিকার এবং চলমান সংস্কার নিয়ে বিশেষ আলোচনা হয়। আলোচনায় আইএলও মহাপরিচালক এবং বিভিন্ন জাতিসংঘ সংস্থার জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধিরাও বক্তব্য দেন। 

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী। তাঁরা শ্রম খাত সংস্কারের মাধ্যমে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তির উন্নতির সম্ভাবনা তুলে ধরেন।

 

অধ্যাপক ইউনূস শ্রম সংস্কারের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, এসব সংস্কার বাংলাদেশে ব্যাপক বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

অংশগ্রহণকারীরা শ্রম সংস্কারের বৃহত্তর তাৎপর্য নিয়ে মন্তব্য করেন এবং এটির বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ ও আন্তর্জাতিক অবস্থানের ওপর প্রভাব নিয়ে মতামত দেন।

প্রধান উপদেষ্টার আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের আগে তিন প্রধান রাজনৈতিক দলের নেতাদের অনানুষ্ঠানিক বক্তব্য দেওয়ার আমন্ত্রণ জানানো হয়। তারা প্রত্যেকে তৈরি পোশাক শিল্পের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং শ্রম খাতের সংস্কার অব্যাহত রাখার পক্ষে সমর্থন জানান।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তৈরি পোশাক শিল্পকে বাংলাদেশের অর্থনীতির মূলভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ভবিষ্যতের যেকোনো সরকারকে অবশ্যই এ খাতের প্রবৃদ্ধি ও স্থায়িত্বকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। একইসঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের শ্রম সংস্কার এবং আইএলও অঙ্গীকার বাস্তবায়নের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন।

জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, তার দলের বহু সদস্যের তৈরি পোশাক শিল্পে প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা রয়েছে। এ অভিজ্ঞতা শিল্পখাতকে কীভাবে আরও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতামূলক করা যায়, সে সম্পর্কে তাদের মূল্যবান জ্ঞান দেয়।

অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার কর্মসূচিকে সমর্থন জানান এবং নির্বাচিত হলে এসব সংস্কারকে জামায়াতে ইসলামী এগিয়ে নেবে বলে জানান ডা. তাহের।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবীরও বর্তমান শ্রম সংস্কার উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, এ প্রচেষ্টা শুধু অব্যাহতই নয়, বরং ভবিষ্যতে আরও সম্প্রসারিত হওয়া উচিত।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র নেতা ডা. তাসনিম জারা বলেন, রানা প্লাজা ট্র্যাজেডি তার রাজনৈতিক যাত্রার একটি নির্ধারক মুহূর্ত ছিল। সে সময় তিনি মেডিকেল শিক্ষার্থী ছিলেন এবং আহতদের সেবা দিতে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করেছিলেন। সেই ঘটনাই তাকে রাজনৈতিকে রূপ দিয়েছে। তিনি অনিরাপদ শ্রমচর্চার মানবিক মূল্য ও সংস্কারের জরুরি প্রয়োজনের ওপর জোর দেন।

রাজনৈতিক নেতাদের বক্তব্যে একটি সাধারণ বিষয় উঠে আসে-বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানির জন্য ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। সবসময় যেন ক্রেতাই শর্ত নির্ধারণ না করে।  

সমাপনী বক্তব্যে অধ্যাপক ইউনূস অর্থবহ এবং স্থায়ী শ্রম সংস্কার বাস্তবায়ন করতে তার সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।