তাহলে গনমানুষকে পুজিঁ করে বা গনমানুষকে যুগ যুগ ধরে শাসন শোষনের মাধ্যমেই তাদের উত্থান। ইলেকশন আসলে গরীবের দরদ বেড়ে যায়। এদেশের মানুষের আয়কর, ভ্যাট ও কাস্টমস এর টাকা দিয়ে কি করা হয় ? মোট কথা এতো বছরেও কেন দেশের ভিতর বিশ্ব মানের হাসপাতাল গড়ে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করা হলো না? কেন এদেশের মানুষের সহিত ধোকাবাজি করা হলো বা এখনও করা হচ্ছে ? পলিটিক্যাল পার্টির নেতাদের দেশের সাধারণ মানুষের দুঃখ কষ্ট নিবারণের সদইচ্ছা কখনও ছিল না। যদি থাকতো তবে অনেক আগেই সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা ফিকির করতো। দলে দলে হানাহানি, মারামারি, খুনাখুনি, ঘুম, মামলা হামলা ও বেকারত্বের পিছনে রয়েছে দুষ্ট লোকদের হাত। সাধারণ মানুষ কঠিন রোগে আক্রান্ত হলে ঘর ভিটা বিক্রি করে পাশের দেশে চিকিৎসার জন্যে যায়। কার্যত বাংলাদেশের বিশ্ব মানের ডাক্তার ইন্জিনিয়ার বিনদেশে চাকুরি করে। আর বাংলাদেশে যারা আছে তাদের কাছে গরীব রোগীরা যাইতে পারেন না। তাছাড়াও এযাবতকাল কোন সরকারই গরীব বা সাধারণ মানুষের কল্যাণের জন্যে উল্লেখযোগ্য কোন কাজ করেননি। আমলা, এমপি, মন্ত্রী, রাজনীতিবিদদের সম্পর্কে এদেশের সাধারণ মানুষেরা অকিবহাল কিন্তু গুন্ডা বাহিনী, দখলদার ও চাঁদা বাজদের নিকট পরাস্ত। উন্নয়নের নামে যতোসব অপরিকল্পিত, রাজস্ব দাবী সৃষ্টি ও আদায় নিঃসন্দেহ এইটাও অপরিকল্পিত অথাৎ ভাড়া করা জ্ঞান। বিদেশে টাকা পাচার ও সেকেন্ড হোম করার বিষয়ে উচ্চ আদালত ইচ্ছা করলে সরকারের কাছে সো মটো জানতে পারেন। কিন্তু তাও দেখছি না। আমরা আগামী নির্বাচিত সরকারের কাছে উল্লেখিত বিষয়গুলি বিবেচনায় নেওয়ার অনুরোধ রইল।
বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট আব্বাস উদ্দিন
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট, সাবেক সভাপতি ট্যাক্সেস বার, ঢাকা