রুশ নির্মিত ইগলা-এস ক্ষেপণাস্ত্রগুলো স্বল্প-পাল্লার ও নিচু উচ্চতায় আঘাত হানতে সক্ষম একটি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, যা যুক্তরাষ্ট্রের স্টিংগার ক্ষেপণাস্ত্রের সমতুল্য। এগুলো ক্রুজ মিসাইল, ড্রোন, হেলিকপ্টার ও নিচুতে উড়ন্ত যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করতে পারে।
মাদুরো জানান, এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো এতটাই হালকা যে একজন সৈনিক একাই বহন করতে পারেন। আমরা এগুলো মোতায়েন করেছি দেশের শেষ পাহাড়, শেষ শহর ও শেষ গ্রাম পর্যন্ত।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র সম্প্রতি ৪ হাজার ৫০০ মেরিন ও নৌসেনা সদস্যকে ক্যারিবীয় অঞ্চলে মোতায়েন করেছে। ওয়াশিংটন বলছে, এটি মূলত মাদক চোরাচালান প্রতিরোধ ও সামরিক শক্তি প্রদর্শনের অংশ। তবে যুক্তরাষ্ট্র এ পর্যন্ত ক্যারিবীয় উপকূলে বেশ কয়েকটি নৌকায় প্রাণঘাতী হামলা চালিয়েছে, যেগুলোকে তারা ‘নার্কো-বোট’ বা মাদকবাহী নৌকা বলে দাবি করেছে।
কিন্তু মার্কিন কংগ্রেসের রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট—উভয় দলের সদস্যরাই এসব হামলার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
গত সপ্তাহে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, তিনি ভেনেজুয়েলায় গোপন অভিযানের অনুমোদন দিয়েছেন সিআইএ-কে। পাশাপাশি তিনি ইঙ্গিত দেন, যুক্তরাষ্ট্র স্থলভাগেও সামরিক অভিযান সম্প্রসারণের কথা বিবেচনা করছে। ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা বলছেন, এটি প্রেসিডেন্ট মাদুরোকে ক্ষমতা থেকে সরাতে যুক্তরাষ্ট্রের চাপ প্রয়োগ নীতির অংশ।