জেন-জি প্রজন্মের প্রশংসা করে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘জুলাই বিপ্লবে জেন-জি নেটওয়ার্কিং ছিল কল্পনার বাইরে। জেন-জি প্রজন্মকে আমরা বলতাম ফার্মের মুরগি, অথচ তারা আবাবিল পাখির মতো। যারা স্বৈরাচারের পতনই শুধু ঘটায়নি, দিল্লি পর্যন্ত তাড়িয়ে নিয়ে গেছে।’
তাজুল ইসলাম বলেন, ‘নতুন প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষা বুঝতে হবে নয়া দিগন্তকে। অভিযোজনের মাধ্যমে টিকে থাকতে না পারলে এই পত্রিকার অবস্থা ইত্তেফাকের মত হবে। আমাদের পত্রপত্রিকা বিগত সরকারের ভয়ের সংস্কৃতি তুলে আনতে পারেনি। এখন গণমাধ্যমের দায়িত্ব সেগুলোকে তুলে আনা, যাতে গুমের মত ঘটনা আর না ঘটে। শহীদদের কথা তুলে আনতে হবে। নয়তো আগামীর বাংলাদেশে বাস করার অধিকার আমাদের থাকবে না।’