এই আইন বাস্তবায়নের তিন মাসের মধ্যে সংস্থাটিকে তার বিধিমালা খসড়া তৈরি করতে হবে। এই খসড়া প্রস্তুতিতে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি সম্পর্কিত উপ-প্রেসিডেন্সি, প্রশাসনিক ও নিয়োগ সংস্থা, পরিকল্পনা ও বাজেট সংস্থা, এবং বিজ্ঞান, স্বাস্থ্য, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, শ্রম ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়গুলোকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। এরপর খসড়াটি মন্ত্রিসভার অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে।
এ আইনগত পদক্ষেপ ইরানের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শাসন কাঠামোকে প্রতিষ্ঠিত করার দিকে একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে এবং জাতীয় নীতিমালায় এআই উন্নয়নের সমন্বয় সাধনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।