ও’হানার মতে, ‘মানুষ শান্তি নয়, ধাক্কা চায়। তারা এমন কাউকে চায়, যে টেবিল উলটে দিতে পারে।’
এ বাস্তবতায় মামদানির প্রচারণা ছিল নতুন ধরনের—‘ভাষণের’ চেয়ে ‘ফলাফলের’ রাজনীতি। তিনি ভাড়া, জীবনযাত্রার ব্যয় এবং দুর্নীতিগ্রস্ত চুক্তির বিরুদ্ধে সরাসরি লড়াইয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। এর মধ্য দিয়েই তিনি বামঘরানার রাজনীতি আবার সাধারণ মানুষের জীবনের সঙ্গে যুক্ত করতে পেরেছেন।
ও’হানার মতে, অকাসিও-কর্টেজ যদি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে নামেন, তবে মামদানির প্রচারণা তার জন্য এক আদর্শ মডেল হতে পারে। তিনি তিনটি বিষয় মূল কৌশল হিসেবে তুলে ধরেছেন—
তাৎক্ষণিক ফলাফল: নির্বাচনের পর ছয় মাসের মধ্যে তিনটি বড় প্রতিশ্রুতির বাস্তব ফল দেখাতে হবে।
সংক্ষিপ্ত ও পরিষ্কার বার্তা: লম্বা বক্তৃতার চেয়ে সংক্ষিপ্ত, কার্যকর বার্তাই ভোটারদের মনে প্রভাব ফেলে।
সুস্পষ্ট প্রতিপক্ষ নির্ধারণ: মামদানি যেমন বাড়িওয়ালা ও মূল্যবৃদ্ধিকারীদের দায়ী করেছেন, সেভাবে এওসি’কেও ‘খলনায়ক’ নির্ধারণ করে বাস্তব সমাধান দিতে হবে।
ও’হানা লিখেছেন, আজকের ভোটাররা প্রেমে পড়েন না, অধৈর্য হন। এওসি যদি ছয় মাসের মধ্যে পরিবর্তনের ছোঁয়া দিতে পারেন, তাহলে তার জন্য পথ প্রস্তুত।