calendar_today সোমবার, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ • ১৯ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
কুরআন প্রতিযোগিতার বিশ্বমঞ্চে জাকারিয়াপ্রথম বাংলাদেশি , আনন্দে মাতোয়ারা তার গ্রাম ◆ সরকার উৎখাতের চেষ্টায় কী পেল আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্যে সাত দশকের ? ◆ ইউনূস আমলের ১৮ মাস: উঠেছে যেসব গুরুতর আইনি প্রশ্ন ◆ আধুনিক ও সবুজ ঢাকা গড়তে একসঙ্গে কাজ করবে এবিজি-ডিএনসিসি ◆ আইসিসিবিতে সেপ্টেম্বর থেকে ‘সুপার সেল কার বাজার’ ◆ মরিনহোর জাদুতে ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষায় কোর্তোয়া ◆ ​শিক্ষকতা থেকে রাজনীতি: সততা ও ত্যাগের এক অনন্য দৃষ্টান্ত ◆ ব্যাংক খাত সংস্কার ও পুনঃমূলধনীকরণের উদ্যোগ ‎এডিবির সহায়তায় ◆ সালাহউদ্দিন আহমেদ এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ◆ নিঝুম দ্বীপের বালির ২৫ শতাংশই ভারী খনিজ ◆ এবার জেন আলফার আন্দোলনে উত্তাল ভারত,জেন জি’র পর ◆ ফ্যাসিস্ট’ তকমার আড়ালে কি চাপা পড়ছে ইতিহাসের প্রশ্ন?
home হোম / আন্তর্জাতিক / গাজার এতিম শিশুদের মুখে ইসরাইলি গণহত্যার করুণ বর্ণনা
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
আন্তর্জাতিক বিশেষ প্রতিবেদন

গাজার এতিম শিশুদের মুখে ইসরাইলি গণহত্যার করুণ বর্ণনা

খাবার আনতে গিয়ে শহীদ হয়েছেন বাবা; আলজাজিরার ভিডিওতে উঠে এলো হৃদয়বিদারক চিত্র

person
বাংলার ডাক verified
Staff reporter
schedule প্রকাশ: বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫ • সকাল ১১:৩৪
history আপডেট: ১০ মাস আগে
timer ৪ মিনিট পড়ার সময়
visibility ২২২ বার পঠিত

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে দখলদার ইসরাইলের লাগাতার হামলায় প্রায় ৭০ হাজার মানুষের জীবনহানি ঘটেছে—যার মধ্যে বহু সংখ্যক নারী ও শিশু রয়েছে। এই ভয়াবহ সহিংসতায় অসংখ্য শিশু তাদের বাবা-মাকে হারিয়েছে, এবং অনেক বাবা-মা হারিয়েছেন তাঁদের আদরের সন্তানকে।

গাজার অনেক ছোট্ট শিশু এত কম বয়সেই এতিম হয়ে গেছে যে, তারা এখনো সঠিকভাবে বুঝতেই পারে না, তাদের জীবনে কত বড় শূন্যতা তৈরি হয়েছে।

আলজাজিরা সোমবার (২৪ নভেম্বর) একটি হৃদয়বিদারক ভিডিও প্রকাশ করেছে। সেখানে দেখা যায়—একজন ব্যক্তি গাজার বেশ কিছু এতিম শিশুর সঙ্গে কথা বলছেন এবং তাদের পরিবারের সদস্য হারানোর বিষয়ে জানতে চাইছেন।

তাদের একজন ছেলেশিশু জানায়, "আমার বাবা-মা দুজনই মারা গেছে।" পাশে থাকা এক মেয়েশিশুকে দেখিয়ে সে বলে, "তার বাবাও মারা গেছে।" পরে অবশ্য আরেক শিশু জানায়, মেয়েটির মা মারা গেছেন। মেয়েটি জানায়, তার বাবা মারা গেছেন নাবলুসে। ছেলেটি জানায়, তার বাবা শহীদ হয়েছেন মেরাজ এলাকায়।

ছেলে শিশুটি ব্যাখ্যা করে, "আমার বাবা আমাদের খাবারের জন্য আটার বস্তা আনতে গিয়েছিলেন।" প্রশ্নকারী যখন জানতে চান, "তারপর তিনি শহীদ হয়ে ফিরে এসেছেন?" শিশুটি নীরবে মাথা নেড়ে সম্মতি জানায়।

এরপর যখন জিজ্ঞেস করা হয়, "তোমার কি বাবার জন্য দুঃখ লাগে?" সে মাথা নেড়ে হ্যাঁ বলে।

পাশে থাকা মেয়েটি তখন বলে, "আমার বাবাকে ইসরাইলি সেনারা তিনটি গুলি করেছে।" ছেলেটি নিজের হার্টের দিকে ইশারা করে দেখায়, "আমার বাবাকে এখানে গুলি করেছে।"

মেয়ে শিশুটি তার বাবার নাম জানায় ফাদি। সে বলে, তার বাবা নাবলুসে কাঠ (লাকড়ি) কুড়াতে গিয়েছিলেন। উদ্দেশ্য ছিল সেগুলো বিক্রি করে পরিবারের জন্য আটা কিনে আনবেন। কিন্তু তিনি আর জীবিত অবস্থায় ফেরেননি।