গত বৃহস্পতিবার লুলা চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে ফোনালাপে এ বিষয় নিয়ে কথা বলেন। শি জিনপিং লুলাকে জাতিসংঘের মূল কাজের গুরুত্ব এবং তা সুরক্ষায় কাজ করার আহ্বান জানান।
ট্রাম্পের এ উদ্যোগের পটভূমিতে রয়েছে তার দ্বিতীয় মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা থেকে বের হয়ে যাওয়া। এর মধ্যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকেও সম্প্রতি দেশটি আনুষ্ঠানিকভাবে বেরিয়েছে। ‘আমেরিক ফার্স্ট’ নীতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে তিনি শুল্ক ও সামরিক হুমকির ব্যবহার করছেন, যা যুক্তরাষ্ট্রের মিত্ররাও বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে বাধ্য হয়েছে।
দাভোসে ট্রাম্পের বোর্ড অব পিসে ইতোমধ্যেই কিছু বিতর্কিত দেশ যোগ দিয়েছে। এর মধ্যে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুও সদস্য হয়েছেন, যিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের কাছে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগের মুখে রয়েছেন। এই বিষয়গুলো ট্রাম্পের নতুন বিশ্ব সংস্থা নিয়ে আন্তর্জাতিক সমালোচনার মাত্রা আরও বাড়িয়েছে। তথ্যসূত্র : আল-জাজিরা