calendar_today সোমবার, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ • ১৯ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
কুরআন প্রতিযোগিতার বিশ্বমঞ্চে জাকারিয়াপ্রথম বাংলাদেশি , আনন্দে মাতোয়ারা তার গ্রাম ◆ সরকার উৎখাতের চেষ্টায় কী পেল আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্যে সাত দশকের ? ◆ ইউনূস আমলের ১৮ মাস: উঠেছে যেসব গুরুতর আইনি প্রশ্ন ◆ আধুনিক ও সবুজ ঢাকা গড়তে একসঙ্গে কাজ করবে এবিজি-ডিএনসিসি ◆ আইসিসিবিতে সেপ্টেম্বর থেকে ‘সুপার সেল কার বাজার’ ◆ মরিনহোর জাদুতে ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষায় কোর্তোয়া ◆ ​শিক্ষকতা থেকে রাজনীতি: সততা ও ত্যাগের এক অনন্য দৃষ্টান্ত ◆ ব্যাংক খাত সংস্কার ও পুনঃমূলধনীকরণের উদ্যোগ ‎এডিবির সহায়তায় ◆ সালাহউদ্দিন আহমেদ এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ◆ নিঝুম দ্বীপের বালির ২৫ শতাংশই ভারী খনিজ ◆ এবার জেন আলফার আন্দোলনে উত্তাল ভারত,জেন জি’র পর ◆ ফ্যাসিস্ট’ তকমার আড়ালে কি চাপা পড়ছে ইতিহাসের প্রশ্ন?
home হোম / আন্তর্জাতিক / ঢাকার দূষণ রোধে বিশ্বব্যাংকের ৪৫২৮ কোটি টাকা ঋণ অনুমোদন
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
আন্তর্জাতিক বিশেষ প্রতিবেদন

ঢাকার দূষণ রোধে বিশ্বব্যাংকের ৪৫২৮ কোটি টাকা ঋণ অনুমোদন

রাজধানীর স্যানিটেশন ও কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পরিষেবা উন্নত করতে, পানি দূষণ কমাতে এবং নদী ও খাল পুনরুদ্ধারের জন্য ৩৭ কোটি মার্কিন ডলারের ঋণ অনুমোদন করেছে বিশ্বব্যাংক। যা প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৩৯ পয়সা ধরে বাংলাদেশি মুদ্রায়...

person
বিশেষ প্রতিনিধি verified
Reporter
schedule প্রকাশ: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ • বিকাল ০৪:২৫
history আপডেট: ৮ মাস আগে
timer ৭ মিনিট পড়ার সময়
visibility ২০৩ বার পঠিত

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মেট্রো ঢাকায় পানি নিরাপত্তা ও টেকসই কর্মসূচির মাধ্যমে বৃহত্তর ঢাকায় পানি দূষণ কমাতে স্থানীয় ও জাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলির সক্ষমতা জোরদার করা হবে। কর্মসূচিটি সিটি করপোরেশন এবং ওয়াসাকে গ্রাউন্ড ওয়াটার উত্তোলনে শক্তিশালী করা হবে।যাতে করে ৫ লাখ ৫০ হাজার মানুষকে নিরাপদ পানি ও ৫ লাখ মানুষকে উন্নত স্যানিটেশন সুবিধার আওতায় আনা যায়।এতে  মানুষকে উন্নত কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পরিষেবা দেবে, দূষণ এবং পরিষেবার ঘাটতির কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত সম্প্রদায়গুলোকে অগ্রাধিকার দেবে।

বাংলাদেশ ও ভুটান নিযুক্ত বিশ্বব্যাংক বিভাগীয় পরিচালক জ্যাঁ পেম বলেন, বৃহত্তর ঢাকার লাখ মানুষের জন্য পানি হলো জীবনরেখা। কিন্তু দ্রুত, অপরিকল্পিত নগরায়ন এবং শিল্প প্রবৃদ্ধি বজ্যের কারণে পানি দূষণ বাড়ছে। কিন্তু দূষণ শহরের ছাড়িয়ে গেছে, যা জনস্বাস্থ্য, পরিবেশ এবং অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এই কর্মসূচি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ঢাকার নদী ও খালের দূষণ কমাতে এবং স্বাস্থ্য পুনরুদ্ধারের জন্য প্রয়োজনীয় প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি তৈরিতে সহায়তা করবে।

বিশ্বব্যাংক জানায়, ঢাকায় বর্জ্য এবং পানি দূষণের তীব্র চ্যালেঞ্জ রয়েছে। মাত্র ২০ শতাংশ বাসিন্দার পাইপযুক্ত পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার সংযোগ রয়েছে এবং আরও ২ শতাংশ কার্যকরী মল-মূত্র ব্যবস্থাপনা ব্যবহার করেন। ৮০ শতাংশেরও বেশি অপরিশোধিত বর্জ্য পানি এবং পয়ঃনিষ্কাশন ঢাকার আন্তঃসংযুক্ত জলপথে ফেলা হয়। ঢাকার অর্ধেকেরও বেশি খাল অদৃশ্য হয়ে গেছে অথবা আটকে গেছে, যা দূষণকে আরও খারাপ করে তুলেছে। এই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করার জন্য, এই অভিযানটি সরকারি ও বেসরকারি খাতের পাশাপাশি সিটি কর্পোরেশনগুলোকে জড়িত করে একটি সামগ্রিক পদ্ধতি গ্রহণ করে। এটি পরিষেবা সরবরাহ উন্নত করতে, নিয়ন্ত্রক কাঠামো শক্তিশালী করতে এবং দূষণ হ্রাস করে এবং প্রবাহ ক্ষমতা পুনরুদ্ধার করে ঢাকার চারপাশের নদী এবং খালগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করতে সহায়তা করবে।

প্রায় ৮০ শতাংশ রপ্তানিমুখী পোশাক কারখানা ঢাকায় অবস্থিত। ৭ হাজারের বেশি কারখানা প্রতিদিন আনুমানিক ২ হাজার ৪০০ মিলিয়ন লিটার অপরিশোধিত বর্জ্য পানিপথে ছেড়ে দেয় যা ত্বক, ডায়রিয়া এবং স্নায়বিক রোগের সৃষ্টি করে। এই কর্মসূচিটি বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণকে, বিশেষ করে ঢাকার আশেপাশের শিল্প বর্জ্য পরিশোধন এবং পানি পুনঃব্যবহার বৃদ্ধির জন্য তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি করা হবে।



বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন বিশেষজ্ঞ এবং প্রকল্পের টাস্ক টিম লিডার হার্ষা গোয়েল বলেন, এই কর্মসূচি বাংলাদেশের বৃহত্তর পানি সুরক্ষা এবং টেকসই কর্মসূচিকে সমর্থন করে। এই পর্যায়ে ঢাকার জলাশয়ে দূষণের নির্গমন হ্রাস করা, ঢাকার নদীগুলির জন্য একটি বিস্তৃত পানির মান সূচকসহ প্রাতিষ্ঠানিক এবং নিয়ন্ত্রক পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা শক্তিশালী করা, ডিজিটাল রিয়েল-টাইম দূষণ পর্যবেক্ষণ স্থাপন করা এবং ঢাকার চারটি নদীর জন্য সমন্বিত নদী পুনরুদ্ধার পরিকল্পনা তৈরি করাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

এই কর্মসূচি প্রথম পর্যায়ে ঢাকা এবং নারায়ণগঞ্জের নির্বাচিত এলাকাগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করবে। এটি প্রাথমিক বর্জ্য সংগ্রহের কভারেজ উন্নত করতে সাহায্য করবে - প্রধান খাল এবং নদীর কাছাকাছি সুবিধাবঞ্চিত সম্প্রদায়গুলোকে অগ্রাধিকার দেবে এবং পুনর্ব্যবহার ব্যবস্থা উন্নত করবে। এটি কঠিন বর্জ্য ফেলা বন্ধ করতে, ড্রেনেজ নেটওয়ার্কে সরাসরি পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা এবং শিল্প বর্জ্য নদী ও খালে ফেলা বন্ধ করতে হবে।