তাসনিম নিউজ এজেন্সি সোমবার এ খবর দিয়েছে। এতে বলা হয়, ফোনালাপে তেহরান ও রিয়াদের মধ্যকার সম্পর্কের ইতিবাচক প্রবণতা নিয়ে দুই দেশের কূটনীতিকরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রতিবেশীসুলভ নীতি প্রসারিত করার ক্ষেত্রে ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের সংকল্পের বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন।
অপরদিকে সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিন ফারহান ইরান ও সৌদি কর্মকর্তাদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ রাখার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। সেই সঙ্গে উভয় পক্ষের বর্তমান পদক্ষেপকে ইতিবাচক ও সন্তোষজনক বলে বর্ণনা করেন।
ইরানি বার্তা সংস্থাটির প্রতিবেদেন বলা হয়েছে, দুই জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক ইরান ও সৌদি আরবের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃস্থাপনের চুক্তির সর্বশেষ অবস্থা নিয়েও আলোচনা করেন এবং আগামী দিনে একটি বৈঠকে বসার ব্যাপারে সম্মত হন।
প্রসঙ্গত, চীনের মধ্যস্থতায় গত ১০ মার্চ ইরান ও সৌদি আরব দীর্ঘ সাত বছরের বৈরিতার অবসান ঘটাতে একটি চুক্তি সই করে। চুক্তি অনুযায়ী, আগামী ৬০ দিনের মধ্যে দূতাবাস পুনরায় কার্যকর করার মাধ্যমে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনরুদ্ধার করবে দুই দেশ। সেই সঙ্গে বিনিয়োগসহ অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার করার ঘোষণা দিয়েছে রিয়াদ ও তেহরান।
চুক্তি সইয়ের পর যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে- ইরান ও সৌদি আরব একে অপরের জাতীয় সার্বভৌমত্বকে সম্মান করবে এবং কেউ কারও অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করবে না।