বিশাল এই সামরিক মহড়া ও মোতায়েন চললেও, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের ওপর সরাসরি কোনো সামরিক হামলা চালানো হবে কি না, সে বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেননি। তবে হোয়াইট হাউস সূত্র জানিয়েছে, সামরিক বিকল্পগুলো পুরোপুরি প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ২০০৩ সালের ইরাক যুদ্ধের পর এই প্রথম মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার এত বড় আকারের আকাশশক্তি প্রদর্শন ওই অঞ্চলে বড় ধরনের যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি করেছে। ওদিকে ইরানও এই হুমকির জবাবে নিজেদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করেছে এবং যে কোনো আক্রমণের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। সূত্র: তাস।