ট্রাম্পের এই ঘোষণার পরপরই কূটনৈতিক অঙ্গনে প্রতিক্রিয়া শুরু হয়। জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের স্থায়ী দূত সংস্থাটির মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস-এর কাছে একটি চিঠি পাঠান। সেই চিঠিতে ইরান স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, তাদের ভূখণ্ডে কোনো হামলা হলে তার জবাব কঠোরভাবে দেওয়া হবে।
চিঠিতে ইরানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সব সামরিক ঘাঁটি ও অবকাঠামো লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালানো হবে যদি ইরানে আক্রমণ করা হয়। তারা উল্লেখ করেছে, ইরান যুদ্ধ চায় না; তবে আত্মরক্ষার অধিকার থেকে তারা সরে আসবে না। হামলা হলে তার পূর্ণ দায়ভার যুক্তরাষ্ট্রকেই নিতে হবে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।
এই উত্তেজনার মাঝেই মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র সম্ভাব্য সামরিক পরিকল্পনা তৈরি করে রেখেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রথম ধাপে সীমিত পরিসরে হামলা চালানো হতে পারে। এর লক্ষ্য হতে পারে ইরানের সরকারি ভবন ও নিরাপত্তা বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো।