এর আগে গত ২৪ ও ২৫ জানুয়ারির মধ্যরাতে পিআইএমএসের একই অপারেশন থিয়েটারে তাকে প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছিল। প্রথম ইনজেকশনের পর দৃষ্টিশক্তির ইতিবাচক উন্নতি দেখা যাওয়ায় চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী এক মাস পর দ্বিতীয় ডোজ প্রয়োগ করা হয়।
মাইক্রোস্কোপের সহায়তায় ইনজেকশনটি প্রয়োগ করেন আল-শিফা আই ট্রাস্ট হাসপাতালের কনসালট্যান্ট চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডা. মুহাম্মদ আরিফ এবং কনসালট্যান্ট ভিট্রিও-রেটিনাল সার্জন ডা. নাদিম কুরেশি। কঠোর মানসম্মত পরিচালন প্রটোকল অনুসরণ করে ডে-কেয়ার প্রক্রিয়া হিসেবে অস্ত্রোপচারটি সম্পন্ন হয়।
মেডিকেল বোর্ডের পরীক্ষা
ইনজেকশন দেওয়ার আগে ইমরান খানকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের একটি বোর্ড পরীক্ষা করে।
একজন কনসালট্যান্ট কার্ডিওলজিস্ট তার ইসিজি ও ইকোকার্ডিওগ্রাফি করেন, যার ফলাফল স্বাভাবিক আসে। এছাড়া তাকে একজন কনসালট্যান্ট ফিজিশিয়ানও পরীক্ষা করেন। সবশেষে তাকে ক্লিনিক্যালি স্থিতিশীল ও চিকিৎসার জন্য উপযুক্ত ঘোষণা করা হয়।
সরকারি বিবৃতিতে জানানো হয়, তার আনুষ্ঠানিক সম্মতি নেওয়ার পরই ইনজেকশন প্রয়োগ করা হয় এবং অপারেশন থিয়েটারে সব ধরনের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা ও মানসম্মত প্রটোকল অনুসরণ করা হয়েছে।
তথ্যসূত্র: সামা টিভি