“জাপান ঢাকা মহানগর পুলিশের ট্রাফিক সেফটি নিয়ে কাজ করেছে। ভবিষ্যতে পুলিশ সংস্কার ও পুনর্গঠনে জাপান সহযোগিতা করতে পারে।"
এ ক্ষেত্রে কয়েকটি উপযুক্ত প্রস্তাব দেওয়া হবে বলেও রাষ্ট্রদূতকে জানিয়েছেন সালাহউদ্দিন।
বৈঠকে দুইদেশের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা ইস্যু, পুলিশ পুনর্গঠন, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ, ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগসহ পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
বৈঠকের শুরুতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাষ্ট্রদূত সাইদা শিন-ইচিকে স্বাগত জানান এবং রাষ্ট্রদূতও মন্ত্রণালয়ের নতুন দায়িত্ব নেওয়ার জন্য সালাহউদ্দিনকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।
বাংলাদেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন জাপানের অব্যাহত সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে রাষ্ট্রদূত সাইদা শিন-ইচি বলেন, "ঢাকা মহানগর পুলিশের ট্রাফিক সেফটি প্রজেক্টটি গতবছর শেষ হয়েছে। আমরা পুলিশ ও ডিএমপির সঙ্গে আরো কাজ করতে আগ্রহী।"
চলতি বছর হোলি আর্টিজান হামলার দশ বছর পূর্তি হবে জানিয়ে রাষ্ট্রদূত মন্ত্রীর কাছে বাংলাদেশে অবস্থানরত জাপানি নাগরিকদের নিরাপত্তা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করেন।
এ সময় সালাহউদ্দিন বলেন, "আমরা জাপানি বিনিয়োগকারী, ব্যবসায়ীসহ বাংলাদেশে বসবাসরত প্রত্যেক জাপানি নাগরিকের নিরাপত্তা দিতে প্রস্তুত। জাপানের পক্ষ থেকে যেকোনো অনুরোধ আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করব।"
বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক-১ অধিশাখার যুগ্মসচিব রেবেকা খান, জাপান দূতাবাসের প্রথম সচিব কোম নে কেনসহ আরও কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন।h