ওয়াং ই স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন, সংঘাত বন্ধ করা এখন বৈশ্বিক অগ্রাধিকার হয়ে দাঁড়িয়েছে। কোনো পক্ষ যেন এমন পদক্ষেপ না নেয় যা পরিস্থিতি আরও খারাপ করে, তা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি বলেন, “এই মুহূর্তে সকলের দায়িত্ব হচ্ছে সংযম বজায় রাখা এবং যেকোনো আঘাত বা হামলা থেকে বিরত থাকা।”
চীনের এই বার্তা মূলত মধ্যপ্রাচ্যে চলমান রক্তক্ষয়ী সংঘাতকে সীমাবদ্ধ রাখার এবং দ্রুত শান্তি প্রক্রিয়া শুরু করার আহ্বান। দেশটি মনে করে, যুদ্ধের পরিধি ছড়িয়ে গেলে তা শুধু অঞ্চল নয়, বৈশ্বিক নিরাপত্তাকেও হুমকির মুখে ফেলবে।
ওয়াং ই আরও বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি চীনের আবেদন, সক্রিয় কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণ করে সকল পক্ষকে আলোচনার টেবিলে ফেরানো। এ সময় তিনি বিভিন্ন রাষ্ট্রকে সতর্ক করে বলেন, অপ্রয়োজনীয় উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড এড়াতে হবে।
চীনের বক্তব্যে পুনর্ব্যক্ত হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং জনজীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত শান্তি আলোচনার প্রয়োজন। দেশটি আশা করছে, বৈশ্বিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতায় উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে।
চীন বিশ্বশান্তি রক্ষায় তাদের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে এবং মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফিরিয়ে আনতে কূটনৈতিক আলোচনার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। বেইজিং থেকে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, এই মুহূর্তে সকল দেশের দায়িত্ব সংযম এবং সহযোগিতার মাধ্যমে উত্তেজনা কমানো। তথ্যসূত্র : তাস