ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের ভবিষ্যত নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা এই অধিবেশনে। অনেকে এটিকে ঐতিহাসিক মুহূর্ত হিসেবে দেখছেন, কারণ ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন ভূমিকা থেকে নতুন সংসদের যাত্রায় তার উপস্থিতি রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও রূপান্তরের প্রতীক।
অধিবেশনে স্পিকারের চেয়ার শূন্য রেখে শুরু হয়েছে (পূর্ববর্তী স্পিকার পদত্যাগ করায়), এবং একজন জ্যেষ্ঠ সংসদ সদস্যের সভাপতিত্বে কার্যক্রম চলছে। ড. ইউনূসের উপস্থিতি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে, বিশেষ করে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও সংস্কারের প্রেক্ষাপটে।