আলোচনায় যেসব বিষয় উঠে আসার কথা সেগুলো হলো- ইরানের প্রায় ৪৫০ কিলোগ্রাম সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তর, হরমুজ প্রণালি আন্তর্জাতিক নৌচলাচলের জন্য খুলে দেওয়া, আঞ্চলিক সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে সমর্থন বন্ধ করা এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি। পাল্টা দাবি হিসেবে ইরান চায় মার্কিন নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হোক।
ইরান অবশ্য এখনই আলোচনায় বসতে রাজি নয়। গালিবাফ এক্সে লিখেছেন, ‘দুটি বিষয়ে আগেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে, লেবাননে যুদ্ধবিরতি এবং ইরানের আটকে পড়া সম্পদ ছেড়ে দেওয়া।’ তিনি জানান, ‘এই দুটি কাজ না হলে আলোচনা শুরু হবে না।’
মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরান বিদেশি ব্যাংকে জমা রাখা তার তেল ও গ্যাস রপ্তানির কোটি কোটি ডলার তুলতে পারছে না।
ইরানের সাথে কোনো চুক্তি হবে কিনা সেটা নিয়ে ট্রাম্প সংশয়ও জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা জানি না তারা সত্যি বলছে কিনা। সামনে এসে বলছে সব পারমাণবিক অস্ত্র দিয়ে দেবে, আবার বাইরে গিয়ে সংবাদমাধ্যমকে বলছে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করতে চায়।’
তবে হোয়াইট হাউস আশাবাদী। মুখপাত্র আনা কেলি বলেছেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আশাবাদী যে একটি চুক্তি সম্ভব।’ তিনি জানান, মধ্যপ্রাচ্যে ‘স্থায়ী শান্তি’ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সবাই একসাথে কাজ করছেন।