ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দাবি করেছে, তারা লক্ষ্যবস্তু হিসেবে হিজবুল্লাহর সামরিক অবকাঠামোকে কেন্দ্র করে অভিযান পরিচালনা করছে। ধর্মীয় স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত করা তাদের উদ্দেশ্য নয় বলেও তারা জানিয়েছে। একই সঙ্গে স্থানীয় সম্প্রদায়কে সহায়তা করার কথাও উল্লেখ করেছে সেনাবাহিনী।
ঘটনাটি ঘিরে ইসরায়েলি রাজনীতিতেও প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। পার্লামেন্টের কিছু সদস্য ধর্মীয় স্থাপনার প্রতি শ্রদ্ধা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন এবং এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না হওয়ার ওপর জোর দিয়েছেন।
মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, ধর্মীয় প্রতীক বা উপাসনালয়ের ওপর আক্রমণ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের পরিপন্থী। তবে তারা একই সঙ্গে সতর্ক করে বলেছে, সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতিতে তথ্য যাচাই ছাড়া চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো উচিত নয়।
বিশ্লেষকদের মতে, ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই ঘটনা আরও সংবেদনশীল পরিস্থিতি তৈরি করেছে। বিশেষ করে ধর্মীয় স্থাপনা জড়িত থাকায় এটি কূটনৈতিক ও সামাজিক পর্যায়ে অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে। তথ্যসূত্র : আল-জাজিরা