প্রতিরক্ষা বিভাগের কর্মকর্তা ক্রিস মেঘের এসবের সত্যতা নিশ্চিত না করেই বলেছেন, অনলাইনে প্রকাশিত নথিগুলো জাতীয় নিরাপত্তার জন্যে মারাত্মক ঝুঁকি ও ভুল তথ্য ছড়ানোরও আশঙ্কা তৈরি করছে।
সাংবাদিকদের তিনি বলেছেন, এটি কিভাবে ঘটল আমরা তা এখনো তদন্ত করছি। এ ধরনের তথ্য কিভাবে ও কাদের কাছে সরবরাহ করা হয়েছে তা নিবিড়ভাবে দেখা হচ্ছে।
প্রথমে দেখা গেলেও সাইটগুলোতে এখন আর অনেক নথি দেখা যাচ্ছে না। যুক্তরাষ্ট্র এসব নথি সরাতে অব্যাহতভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
মেঘের বলেন, প্রাথমিকভাবে ৬ এপ্রিল সকালের আগ পর্যন্ত প্রতিরক্ষা মন্ত্রী লয়েড অস্টিনকে এ বিষয়ে জানানো হয়নি। ওই দিন নিউইয়র্ক টাইমস এ নথি ফাঁস নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়।
হোয়াইট হাউসের জাতীয় নিরাপত্তা মুখপাত্র জন কিরবি নির্দিষ্ট দিনের কথা উল্লেখ না করে সাংবাদিকদের বলেছেন, প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে গত সপ্তাহের শেষ দিকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
এদিকে আরো নথি প্রকাশ হয়ে পড়তে পারে যুক্তরাষ্ট্র এ আশঙ্কা করছে বলে কিরবি উল্লেখ করেন।
সূত্র : বাসস