calendar_today সোমবার, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ • ১৯ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
কুরআন প্রতিযোগিতার বিশ্বমঞ্চে জাকারিয়াপ্রথম বাংলাদেশি , আনন্দে মাতোয়ারা তার গ্রাম ◆ সরকার উৎখাতের চেষ্টায় কী পেল আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্যে সাত দশকের ? ◆ ইউনূস আমলের ১৮ মাস: উঠেছে যেসব গুরুতর আইনি প্রশ্ন ◆ আধুনিক ও সবুজ ঢাকা গড়তে একসঙ্গে কাজ করবে এবিজি-ডিএনসিসি ◆ আইসিসিবিতে সেপ্টেম্বর থেকে ‘সুপার সেল কার বাজার’ ◆ মরিনহোর জাদুতে ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষায় কোর্তোয়া ◆ ​শিক্ষকতা থেকে রাজনীতি: সততা ও ত্যাগের এক অনন্য দৃষ্টান্ত ◆ ব্যাংক খাত সংস্কার ও পুনঃমূলধনীকরণের উদ্যোগ ‎এডিবির সহায়তায় ◆ সালাহউদ্দিন আহমেদ এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ◆ নিঝুম দ্বীপের বালির ২৫ শতাংশই ভারী খনিজ ◆ এবার জেন আলফার আন্দোলনে উত্তাল ভারত,জেন জি’র পর ◆ ফ্যাসিস্ট’ তকমার আড়ালে কি চাপা পড়ছে ইতিহাসের প্রশ্ন?
home হোম / আন্তর্জাতিক / মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটি তছনছ,বেরিয়ে এলো থলের বিড়াল
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
আন্তর্জাতিক বিশেষ প্রতিবেদন

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটি তছনছ,বেরিয়ে এলো থলের বিড়াল

ধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই জোরালো বক্তব্য দিয়ে আসছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিশেষ করে ইরান যুদ্ধে মধ্যেপ্রাচ্যের মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে হামলার বিষয়ে তার অস্বীকার এবং...

person
বিশেষ প্রতিনিধি verified
Reporter
schedule প্রকাশ: শনিবার, ২ মে ২০২৬ • দুপুর ০১:৫৭
history আপডেট: ৫ মাস আগে
timer ৬ মিনিট পড়ার সময়
visibility ১৯২ বার পঠিত

সিএনএনের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলোতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির চিত্র ফুটে উঠেছে। উন্নত চীনা প্রযুক্তির সহায়তায় ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সম্পদ ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে। এই ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আগে কখনও এভাবে প্রকাশ পায়নি।

সিএনএনের অনুসন্ধান অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যের আটটি দেশে অন্তত ১৬টি মার্কিন সামরিক স্থাপনায় হামলা হয়েছে এবং সেগুলোর বেশিরভাগই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কিছু ঘাঁটি পুরোপুরি অচল হয়ে পড়েছে। মার্কিন সেনাদের অবস্থান করা কুয়েতের ক্যাম্প বুহরিং এখন প্রায় পরিত্যক্ত। ইরানি হামলার চিহ্নে ক্যাম্পটি ক্ষতবিক্ষত মরুভূমিতে পরিণত হয়েছে।


একজন মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, মার্কিন ঘাঁটিতে এ ধরনের হামলার ঘটনা আগে কখনও শোনা যায়নি। ইরান অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে যুক্তরাষ্ট্রের বিলিয়ন ডলারের সামরিক সম্পদকে লক্ষ্যবস্তু করে হামলা চালিয়েছে। 

এর মধ্যে রয়েছে– বোয়িং ই-৩ সেন্ট্রি নজরদারি উড়োজাহাজ। এই উড়োজাহাজ পারস্য উপসাগরে ব্যবহৃত হয়, এর প্রতিটির মূল্য প্রায় ৫০ কোটি ডলার। স্যাটেলাইট ডিশ সুরক্ষা কাঠামো রেডোম। যুদ্ধের প্রথম মাসেই এই রেডোম অধিকাংশই ধ্বংস করা হয়। আকাশ প্রতিরক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উন্নত রাডার সিস্টেম, যা হামলার সবচেয়ে সফল লক্ষ্য হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

এই পরিস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোর মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করেছে। সৌদি আরবের এক সূত্র জানায়, এই সংঘাত দেখিয়েছে যে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র হওয়া মানেই সবসময় নিরাপত্তার নিশ্চয়তা নয়।


অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ইরানের হামলার সাফল্যের পেছনে চীনের ‘টিইই-০১বি’ স্যাটেলাইট প্রযুক্তির ভূমিকা থাকতে পারে। ২০২৪ সালে একটি গোপন চুক্তির মাধ্যমে ইরান এই প্রযুক্তি ব্যবহার শুরু করে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে ইরান অত্যন্ত নির্ভুলভাবে লক্ষ্য নির্ধারণ করতে সক্ষম হয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবহৃত উচ্চমানের গোয়েন্দা সক্ষমতার সমতুল্য বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন ক্ষয়ক্ষতির নির্দিষ্ট তথ্য প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জানালেও দাবি করেছে, তাদের বাহিনী এখনও পূর্ণ সক্ষমতায় কাজ করতে পারছে। তবে নিরাপত্তার কারণে অধিকাংশ সেনাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

বিশ্লেষক সেথ জোন্স বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা প্রায় ৯৫ শতাংশ হামলা প্রতিহত করতে পারলেও বাকি ৫ শতাংশই বড় ধরনের ক্ষতি করতে যথেষ্ট ছিল। তার মতে, যদি ভবিষ্যতে চীনের সঙ্গে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সংঘাত হয়, তাহলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের সামরিক শক্তি প্রায় শেষ হয়ে গেছে। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, এই দাবি পুরোপুরি সঠিক নয়। তাদের মতে, ইরানের এখনও প্রায় ৪০ শতাংশ ড্রোন সক্ষমতা এবং ৬০ শতাংশ ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা সক্রিয় রয়েছে। তাছাড়া, চীন ও রাশিয়ার প্রযুক্তিগত সহায়তা ইরানকে এক দুর্ধর্ষ প্রতিপক্ষ হিসেবে টিকিয়ে রেখেছে।