এর আগে গত ৩ মে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ জানিয়েছিলেন চলতি বছর কুরবানিযোগ্য গবাদিপশুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ২৩ লাখ ৩৩ হাজার ৮৪০টি। অন্যদিকে কুরবানির চাহিদা ধরা হয়েছে ১ কোটি ১ লাখ ৬ হাজার ৩৩৪টি।
চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বেশি থাকায় চলতি বছর দেশে ২২ লাখ ২৭ হাজারের বেশি গবাদিপশু উদ্বৃত্ত থাকতে পারে জানিয়ে তিনি বলেন, ফলে কুরবানির পশু নিয়ে কোনো সংকট তৈরি হওয়ার আশঙ্কা নেই।
সীমান্ত দিয়ে কুরবানির পশু যাতে অবৈধভাবে দেশে ঢুকতে না পারে সেজন্য সরকার কঠোর নজরদারি করবে বলেও জানিয়েছেন প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী। তিনি বলেন, সীমান্তে বিজিবি, পুলিশসহ কঠোর নজরদারি করা হবে। কোনো অনুপ্রবেশ বরদাস্ত করা হবে না।
মন্ত্রী আরও জানান, হাট এবং ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর থাকবে। সাদা পোশাকেও দায়িত্ব পালন করবে। অনলাইনে পশু বেচাকেনায় খাজনা বা হাসিল দিতে হবে না। কুরবানির পশুর ট্রাকে চাঁদাবাজি বন্ধে কঠোর অবস্থানে থাকবে সরকার। এরই মধ্যে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।