পরদিন বৃহস্পতিবার (১৪ মে) চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। বৈঠক শুরুর আগে উদ্বোধনী বক্তব্যে শি জিনপিং বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের ‘প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, অংশীদার’ হওয়া উচিত এবং ‘পুরো বিশ্বই তা দেখছে’।
ট্রাম্প ও শি’র মধ্যে দুই ঘণ্টা ধরে বৈঠক চলে, যা নির্ধারিত সময়ের দ্বিগুণ। আলোচনা কেমন হয়েছে, সাংবাদিকদের এই প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প শুধু এক শব্দে বলেছেন- ‘চমৎকার’। বৈঠক শেষে দুই প্রেসিডেন্ট টেম্পল অব হেভেন পরিদর্শন করেন।
এদিন রাতে বেইজিংয়ে ট্রাম্প, যুক্তরাষ্ট্রের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা এবং ব্যবসায়ী নেতাদের সম্মানে জাঁকজমকপূর্ণ রাষ্ট্রীয় নৈশভোজের আয়োজন করেন শি জিনপিং। বিশ্বের দুই বৃহত্তম অর্থনীতির নেতা তাইওয়ান ও ইরানসহ বিভিন্ন ইস্যুতে মতপার্থক্য আপাতত প্রকাশ্যে পাশে সরিয়ে রেখে ব্যবসায়িক চুক্তির দিকেই বেশি গুরুত্ব দেন।
বেইজিংয়ে নিজের রাষ্ট্রীয় সফর শেষ করার অংশ হিসেবে চূড়ান্ত দফার আলোচনায় চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে শুক্রবার (১৫ মে) সাক্ষাৎ করেছেন ট্রাম্প। বৈঠক শেষে বিশ্বের শীর্ষ এই দুই নেতা বেইজিংয়ের ঐতিহাসিক ঝংনানহাই নেতৃত্ব কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন।