দু’দেশের মধ্যে উত্তেজনার সূত্রপাত হয় সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের এক প্রতিবেদনের পর। গোপন গোয়েন্দা তথ্যের বরাত দিয়ে সেখানে দাবি করা হয়, কিউবা ৩০০টির বেশি সামরিক ড্রোন সংগ্রহ করেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, এসব ড্রোন যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ব্যবহার করা হতে পারে, যেমন—গুয়ান্তানামো বে নৌঘাঁটি, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক জাহাজ, ফ্লোরিডার কি ওয়েস্ট এলাকা
তবে কিউবার কর্মকর্তারা এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাদের দাবি, সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের অজুহাত তৈরির জন্য ওয়াশিংটন এসব তথ্য ছড়াচ্ছে।
বাড়ছে যুক্তরাষ্ট্র-কিউবা উত্তেজনা
হাভানা ও ওয়াশিংটনের সম্পর্ক সাম্প্রতিক সময়ে আরও খারাপ হয়েছে। এর পেছনে রয়েছে— যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি নিষেধাজ্ঞা, কিউবায় জ্বালানি সংকট এবং রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক চাপ
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে কিউবায় তীব্র জ্বালানি সংকট ও ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দিয়েছে, যা সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়িয়েছে।
এমন পরিস্থিতির মধ্যেও অনেক কিউবান নাগরিক বলেছেন, অর্থনৈতিক সংকট থাকলেও বিদেশি কোনো হামলার বিরুদ্ধে তারা প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।
অন্যদিকে অনেকে উত্তেজনা না বাড়িয়ে আলোচনার মাধ্যমে সংকট সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন।