এক বিবৃতিতে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র নাসের কানানি বলেন, রিয়াদ ও জেদ্দায় দূতাবাস ও কনস্যুলেট চালু করার জন্য ইরানের প্রতিনিধি দলটি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।
সৌদি আরব সুপরিচিত এক শিয়া ধর্মীয় নেতার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার পর ক্ষুব্ধ হয় শিয়া সংখ্যাগরিষ্ঠ ইরান। এর জেরে দেশটির বিক্ষোভকারীরা তেহরানের সৌদি দূতাবাসে হামলা চালালে ২০১৬ সালের জানুয়ারিতে ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে রিয়াদ এবং ইরানি কূটনীতিকদের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দেশ ছাড়ার নির্দেশ দেয়, পাশাপাশি তারা তেহরান থেকে নিজেদের দূতাবাস কর্মীদের সরিয়ে নিয়ে আসে। এরপর থেকে রিয়াদের ইরানি কূটনৈতিক মিশনটি বন্ধ ছিল।
গত মাসে চীনের উদ্যোগে হওয়া ওই চুক্তিতে তেহরান ও রিয়াদ কূটনৈতিক দ্বন্দ্বের সমাপ্তি টেনে ফের কূটনৈতিক মিশন চালু করতে সম্মত হয়।
চলতি মাসের প্রথমদিকে উভয় দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বেইজিং এক বৈঠকে মিলিত হয়েছিলেন, যা তাদের দুই দেশের শীর্ষ কূটনীতিকদের প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক।
শনিবার সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তেহরান ও মাশহাদ শহরে রিয়াদের দূতাবাস ও কনস্যুলেট ফের চালু করার প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করতে সৌদি কর্মকর্তারাও ইরানে আছেন।