calendar_today সোমবার, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ • ১৯ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
কুরআন প্রতিযোগিতার বিশ্বমঞ্চে জাকারিয়াপ্রথম বাংলাদেশি , আনন্দে মাতোয়ারা তার গ্রাম ◆ সরকার উৎখাতের চেষ্টায় কী পেল আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্যে সাত দশকের ? ◆ ইউনূস আমলের ১৮ মাস: উঠেছে যেসব গুরুতর আইনি প্রশ্ন ◆ আধুনিক ও সবুজ ঢাকা গড়তে একসঙ্গে কাজ করবে এবিজি-ডিএনসিসি ◆ আইসিসিবিতে সেপ্টেম্বর থেকে ‘সুপার সেল কার বাজার’ ◆ মরিনহোর জাদুতে ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষায় কোর্তোয়া ◆ ​শিক্ষকতা থেকে রাজনীতি: সততা ও ত্যাগের এক অনন্য দৃষ্টান্ত ◆ ব্যাংক খাত সংস্কার ও পুনঃমূলধনীকরণের উদ্যোগ ‎এডিবির সহায়তায় ◆ সালাহউদ্দিন আহমেদ এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ◆ নিঝুম দ্বীপের বালির ২৫ শতাংশই ভারী খনিজ ◆ এবার জেন আলফার আন্দোলনে উত্তাল ভারত,জেন জি’র পর ◆ ফ্যাসিস্ট’ তকমার আড়ালে কি চাপা পড়ছে ইতিহাসের প্রশ্ন?
home হোম / জাতীয় / কুরবানি কার পক্ষ থেকে পরিবার না ব্যক্তি , ইসলাম যা বলে
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
জাতীয় বিশেষ প্রতিবেদন

কুরবানি কার পক্ষ থেকে পরিবার না ব্যক্তি , ইসলাম যা বলে

কুরবানির সময় এলেই অনেকেই নিজের নামের পাশাপাশি বাবা-মা, নাবালক সন্তান বা মৃত আত্মীয়স্বজনের নামেও কুরবানি দিয়ে থাকেন। তবে ইসলামি শরিয়তে কুরবানির বিধান, অংশীদারিত্ব এবং কার নামে কুরবানি করা যাবে—এ বিষয়ে নির্দিষ্ট নির্দেশনা...

person
বিশেষ প্রতিনিধি verified
Reporter
schedule প্রকাশ: বুধবার, ২৭ মে ২০২৬ • বিকাল ০৫:১০
history আপডেট: ৪ মাস আগে
timer ৪ মিনিট পড়ার সময়
visibility ১৮৪ বার পঠিত

ইসলামি বিধান অনুযায়ী, ছাগল, ভেড়া বা দুম্বার মতো পশু একজন ব্যক্তির পক্ষ থেকেই কুরবানি করতে হয়। এসব পশুতে একাধিক ব্যক্তি শরিক হতে পারেন না। তবে গরু, মহিষ ও উটের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সাতজন পর্যন্ত শরিক হয়ে কুরবানি দেওয়া যায়। প্রত্যেকের নিয়ত আলাদা হলেও একটি পশুর মাধ্যমেই সবার কুরবানি আদায় হয়।

ইসলামি বিশ্লেষকদের মতে, সাতজন অংশীদার মানে সাতটি নির্দিষ্ট নামের পক্ষ থেকে কুরবানি; সাতটি পরিবারের পক্ষ থেকে নয়। তবে অংশ সাতজনের কম হতে পারে, কিন্তু বেশি হওয়া যাবে না। কুরবানির সময় মূল বিষয় হলো আল্লাহর নামে পশু জবাই করা এবং প্রত্যেক অংশীদারের নিয়ত স্পষ্ট থাকা।

ইসলামি বিধান অনুযায়ী, নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক প্রাপ্তবয়স্ক মুসলিম নারী-পুরুষের ওপর কুরবানি ওয়াজিব। সাড়ে সাত ভরি স্বর্ণ বা সাড়ে ৫২ ভরি রুপার সমমূল্যের সম্পদ থাকলে কুরবানি আদায় করতে হয়। রুপার নেসাব ধরলে বর্তমানে প্রায় তিন লাখ টাকার সমমূল্যের সম্পদ থাকলেও কুরবানি ওয়াজিব হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক মুহাম্মদ আব্দুর রশীদ বলেন, আগে স্বর্ণ ও রুপার মূল্য সমান ছিল, কিন্তু সময়ের পরিবর্তনে এখন পার্থক্য তৈরি হয়েছে। তাই বর্তমানে রুপার নেসাব অনুযায়ী হিসাব করা বেশি গ্রহণযোগ্য।

ইসলামি বিধান অনুযায়ী, কেউ চাইলে নিজের কুরবানির পাশাপাশি অন্যের নামেও কুরবানি দিতে পারেন। তবে শর্ত হলো—প্রথমে নিজের ওয়াজিব কুরবানি আদায় করতে হবে। এরপর বাবা-মা, মৃত আত্মীয় বা প্রিয়জনের নাম যুক্ত করা যায়। মৃত ব্যক্তির নামে কুরবানি করা ইসলামি দৃষ্টিতে বৈধ এবং এর মাধ্যমে সওয়াবের আশা করা হয়।

মৃত ব্যক্তির নামে কুরবানি দিলে মাংস গরিবদের মাঝে বেশি বিতরণ করা উত্তম। একইভাবে নাবালক সন্তানের নামেও কুরবানি দেওয়া জায়েজ বলে উল্লেখ করেছেন ইসলামি আলেমরা।

প্রতিবছর জিলহজ মাসের ১০, ১১ ও ১২ তারিখ কুরবানির পশু জবাই করা হয়। ধর্মীয় বিশ্লেষকরা বলেন, যাদের ওপর কুরবানি ওয়াজিব, তারা তা পালন না করলে গুনাহের অংশীদার হবেন।

তথ্যসূত্র: বিবিসি বাংলা।

tag ট্যাগ: #কুরবানি