calendar_today সোমবার, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ • ১৯ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
কুরআন প্রতিযোগিতার বিশ্বমঞ্চে জাকারিয়াপ্রথম বাংলাদেশি , আনন্দে মাতোয়ারা তার গ্রাম ◆ সরকার উৎখাতের চেষ্টায় কী পেল আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্যে সাত দশকের ? ◆ ইউনূস আমলের ১৮ মাস: উঠেছে যেসব গুরুতর আইনি প্রশ্ন ◆ আধুনিক ও সবুজ ঢাকা গড়তে একসঙ্গে কাজ করবে এবিজি-ডিএনসিসি ◆ আইসিসিবিতে সেপ্টেম্বর থেকে ‘সুপার সেল কার বাজার’ ◆ মরিনহোর জাদুতে ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষায় কোর্তোয়া ◆ ​শিক্ষকতা থেকে রাজনীতি: সততা ও ত্যাগের এক অনন্য দৃষ্টান্ত ◆ ব্যাংক খাত সংস্কার ও পুনঃমূলধনীকরণের উদ্যোগ ‎এডিবির সহায়তায় ◆ সালাহউদ্দিন আহমেদ এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ◆ নিঝুম দ্বীপের বালির ২৫ শতাংশই ভারী খনিজ ◆ এবার জেন আলফার আন্দোলনে উত্তাল ভারত,জেন জি’র পর ◆ ফ্যাসিস্ট’ তকমার আড়ালে কি চাপা পড়ছে ইতিহাসের প্রশ্ন?
home হোম / আন্তর্জাতিক / ইরানের ৫০ বিলিয়ন ডলারের নিষেধাজ্ঞা উঠিয়ে নেবে চুক্তি চূড়ান্ত হলে যুক্তরাষ্ট্র
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
আন্তর্জাতিক বিশেষ প্রতিবেদন

ইরানের ৫০ বিলিয়ন ডলারের নিষেধাজ্ঞা উঠিয়ে নেবে চুক্তি চূড়ান্ত হলে যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চূড়ান্ত শান্তি চুক্তি সম্পন্ন হলে ইরান প্রায় ৫০ বিলিয়ন (পাঁচ হাজার কোটি) মার্কিন ডলার সমমূল্যের নিষেধাজ্ঞা ছাড় ও আটকে থাকা তহবিল ফেরত পেতে পারে। সুইজারল্যান্ডে দুই দেশের মধ্যে প্রথম দফার আলোচনা...

person
বিশেষ প্রতিনিধি verified
Reporter
schedule প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬ • বিকাল ০৫:৪৬
history আপডেট: ৩ মাস আগে
timer ৩ মিনিট পড়ার সময়
visibility ৯৫ বার পঠিত

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে তহবিল ছাড়ের প্রাথমিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। 

আলোচনার সূত্র অনুযায়ী, কাতারের দোহায় প্রথমে দুই দফায় ৬ বিলিয়ন করে মোট ১২ বিলিয়ন ডলার ছাড়ের বিষয়ে প্রাথমিক সম্মতি হয়েছিল। নতুন রূপরেখা অনুযায়ী, চুক্তির শুরুতে প্রথম ধাপে ইরানের ১২ বিলিয়ন ডলারের তহবিল অবমুক্ত করা হবে। এরপর চলমান ৬০ দিনের আলোচনা চলাকালীন আরও ১২ বিলিয়ন ডলারের তহবিল খুলে দেওয়া হতে পারে। আর দুই পক্ষ যদি শেষ পর্যন্ত একটি চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছাতে পারে, তবে এই নিষেধাজ্ঞা ছাড় ও অবমুক্ত তহবিলের পরিমাণ সর্বোচ্চ ৫০ বিলিয়ন ডলারে গিয়ে ঠেকবে।

তবে এই বিশাল পরিমাণ অর্থ ইরান সরাসরি নগদ বা আনরেস্ট্রিক্টেড ক্যাশ হিসেবে পাবে না। মার্কিন কর্মকর্তাদের দীর্ঘদিনের আশঙ্কা, নগদ অর্থ দেওয়া হলে তা ইরানের ‘ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস’ (আইআরজিসি) বা সামরিক খাতে চলে যেতে পারে। তাই এই অর্থ কেবল খাদ্য, ওষুধ ও জরুরি মানবিক সহায়তার মতো পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে।

মার্কিন প্রশাসনের দেওয়া আরেকটি বড় শর্ত হলো— এই অর্থ দিয়ে ইরানকে পণ্য কিনতে হবে কেবল যুক্তরাষ্ট্রের অনুমোদিত বাজার এবং আর্থিক চ্যানেল বা ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে। ওয়াশিংটনের এই শর্তে তেহরান পুরোপুরি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছে কি না তা এখনও স্পষ্ট নয়, তবে ইরান এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে এই শর্ত প্রত্যাখ্যানও করেনি।