calendar_today সোমবার, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ • ১৯ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
কুরআন প্রতিযোগিতার বিশ্বমঞ্চে জাকারিয়াপ্রথম বাংলাদেশি , আনন্দে মাতোয়ারা তার গ্রাম ◆ সরকার উৎখাতের চেষ্টায় কী পেল আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্যে সাত দশকের ? ◆ ইউনূস আমলের ১৮ মাস: উঠেছে যেসব গুরুতর আইনি প্রশ্ন ◆ আধুনিক ও সবুজ ঢাকা গড়তে একসঙ্গে কাজ করবে এবিজি-ডিএনসিসি ◆ আইসিসিবিতে সেপ্টেম্বর থেকে ‘সুপার সেল কার বাজার’ ◆ মরিনহোর জাদুতে ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষায় কোর্তোয়া ◆ ​শিক্ষকতা থেকে রাজনীতি: সততা ও ত্যাগের এক অনন্য দৃষ্টান্ত ◆ ব্যাংক খাত সংস্কার ও পুনঃমূলধনীকরণের উদ্যোগ ‎এডিবির সহায়তায় ◆ সালাহউদ্দিন আহমেদ এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ◆ নিঝুম দ্বীপের বালির ২৫ শতাংশই ভারী খনিজ ◆ এবার জেন আলফার আন্দোলনে উত্তাল ভারত,জেন জি’র পর ◆ ফ্যাসিস্ট’ তকমার আড়ালে কি চাপা পড়ছে ইতিহাসের প্রশ্ন?
home হোম / আন্তর্জাতিক / সমুদ্রের তাপমাত্রায় সামনে আরও বাড়ার শঙ্কা নতুন রেকর্ড,
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
আন্তর্জাতিক বিশেষ প্রতিবেদন

সমুদ্রের তাপমাত্রায় সামনে আরও বাড়ার শঙ্কা নতুন রেকর্ড,

বিশ্বের মহাসাগরগুলো ২০২৬ সালে ইতিহাসের সবচেয়ে উষ্ণ জুন মাসের সাক্ষী হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) কপার্নিকাস মেরিন সার্ভিসের সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের জুনে বৈশ্বিক সমুদ্রপৃষ্ঠের গড় তাপমাত্রা ২১ দশমিক ০...

person
বিশেষ প্রতিনিধি verified
Reporter
schedule প্রকাশ: বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬ • বিকাল ০৩:৩৬
history আপডেট: ৩ মাস আগে
timer ৪ মিনিট পড়ার সময়
visibility ৭৫ বার পঠিত

বিজ্ঞানীরা সতর্ক করে বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের সঙ্গে শক্তিশালী এল নিনো যুক্ত হলে আগামী মাসগুলোতে সমুদ্র ও বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসজুড়ে বিশ্বের মহাসাগরগুলোর সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি ছিল। একই সময়ে বিশ্বের বিস্তীর্ণ জলরাশিতে সামুদ্রিক তাপপ্রবাহ বা মেরিন হিটওয়েভ ছড়িয়ে পড়ে। 

কপার্নিকাস মেরিন সার্ভিসের প্রধান সমুদ্রবিজ্ঞানী সিমন ভ্যান গেনিপ জানান, বছরের প্রথমার্ধের শেষে বিশ্বের প্রায় ৮২ শতাংশ মহাসাগর সামুদ্রিক তাপপ্রবাহের প্রভাবে এসেছে। বিশেষ করে ভূমধ্যসাগর, উত্তর আটলান্টিকের মধ্যাঞ্চল এবং নিরক্ষীয় প্রশান্ত মহাসাগরে তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে, যা দীর্ঘমেয়াদি তাপচাপের স্পষ্ট ইঙ্গিত।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এল নিনো পরিস্থিতির সূচনা হলে বৈশ্বিক তাপমাত্রা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। 

কপার্নিকাস ক্লাইমেট চেঞ্জ সার্ভিসের পরিচালক কার্লো বুন্তেম্পো বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি বিশ্বকে আবারও নজিরবিহীন জলবায়ুগত অবস্থার দিকে নিয়ে যেতে পারে। তার ভাষায়, সমুদ্রের তাপমাত্রা ইতোমধ্যে রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে এবং এল নিনোর প্রভাবে আগামী কয়েক মাসে আরও নতুন রেকর্ড তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এল নিনো হলো প্রশান্ত মহাসাগরের নির্দিষ্ট অংশের পানি অস্বাভাবিকভাবে উষ্ণ হয়ে ওঠার একটি প্রাকৃতিক আবহাওয়া ঘটনা। এর ফলে বায়ুমণ্ডলে অতিরিক্ত তাপ ছড়িয়ে পড়ে এবং বিশ্বজুড়ে বাতাসের প্রবাহ, বৃষ্টিপাত ও আবহাওয়ার ধরনে বড় পরিবর্তন দেখা দেয়। এতে কোথাও ভয়াবহ বন্যা, কোথাও দীর্ঘস্থায়ী খরা, আবার কোথাও দাবানলের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

এর আগে জাতিসংঘের এক বৈজ্ঞানিক মূল্যায়নেও সতর্ক করা হয়েছিল যে বিশ্বের মহাসাগর ক্রমেই গভীর সংকটে পড়ছে। বিজ্ঞানীদের মতে, মানবসৃষ্ট গ্রিনহাউস গ্যাসের কারণে উৎপন্ন অতিরিক্ত তাপের প্রায় ৯০ শতাংশই মহাসাগর শোষণ করে। তবে সমুদ্র উষ্ণ হয়ে উঠলে ঘূর্ণিঝড়, অতিবৃষ্টি, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং প্রবালপ্রাচীরের ব্যাপক ক্ষতির ঝুঁকিও দ্রুত বাড়তে থাকে।

সূত্র: আলজাজিরা