calendar_today সোমবার, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ • ১৯ অক্টোবর ২০২৬
দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ দৈনিক বাংলার ডাক - শীর্ষ বাংলা অনলাইন পত্রিকা ও ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ
কুরআন প্রতিযোগিতার বিশ্বমঞ্চে জাকারিয়াপ্রথম বাংলাদেশি , আনন্দে মাতোয়ারা তার গ্রাম ◆ সরকার উৎখাতের চেষ্টায় কী পেল আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্যে সাত দশকের ? ◆ ইউনূস আমলের ১৮ মাস: উঠেছে যেসব গুরুতর আইনি প্রশ্ন ◆ আধুনিক ও সবুজ ঢাকা গড়তে একসঙ্গে কাজ করবে এবিজি-ডিএনসিসি ◆ আইসিসিবিতে সেপ্টেম্বর থেকে ‘সুপার সেল কার বাজার’ ◆ মরিনহোর জাদুতে ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষায় কোর্তোয়া ◆ ​শিক্ষকতা থেকে রাজনীতি: সততা ও ত্যাগের এক অনন্য দৃষ্টান্ত ◆ ব্যাংক খাত সংস্কার ও পুনঃমূলধনীকরণের উদ্যোগ ‎এডিবির সহায়তায় ◆ সালাহউদ্দিন আহমেদ এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ◆ নিঝুম দ্বীপের বালির ২৫ শতাংশই ভারী খনিজ ◆ এবার জেন আলফার আন্দোলনে উত্তাল ভারত,জেন জি’র পর ◆ ফ্যাসিস্ট’ তকমার আড়ালে কি চাপা পড়ছে ইতিহাসের প্রশ্ন?
home হোম / জাতীয় / রেল নেটওয়ার্কের আওতায় আনা হবে সব জেলাকে পর্যায়ক্রমে: রেলপথ প্রতিমন্ত্রী
stars বিশেষ প্রতিবেদন এক্সক্লুসিভ
জাতীয় বিশেষ প্রতিবেদন

রেল নেটওয়ার্কের আওতায় আনা হবে সব জেলাকে পর্যায়ক্রমে: রেলপথ প্রতিমন্ত্রী

দেশের ৬৪টি জেলার মধ্যে বর্তমানে ৪৯টিতে রেল সংযোগ রয়েছে। পর্যায়ক্রমে সব জেলাকে রেল নেটওয়ার্কের আওতায় আনার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহণ ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ।...

person
বিশেষ প্রতিনিধি verified
Reporter
schedule প্রকাশ: শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬ • সন্ধ্যা ০৭:২০
history আপডেট: ৩ মাস আগে
timer ৫ মিনিট পড়ার সময়
visibility ৭৮ বার পঠিত

সফরে তার সঙ্গে ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এবং সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও নেত্রকোণা-৪ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুজ্জামান বাবর।

প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ বলেন, সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই সারা দেশে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে কাজ করছে। রেলপথে যানজট কমাতে বিভিন্ন স্থানে আন্ডারপাস ও ওভারপাস নির্মাণ, ট্রেনে ইন্টারনেট সুবিধা সম্প্রসারণ এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম কর্ড লাইনের মাধ্যমে দূরত্ব কমিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, নেত্রকোণাকেন্দ্রিক বিভিন্ন দাবির বিষয়েও সরকার কাজ শুরু করেছে। তবে সক্ষমতার সীমাবদ্ধতার কারণে সব কাজ একসঙ্গে বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। অতীতে রেললাইন নির্মাণ হলেও সেই অনুপাতে লোকোমোটিভ ও কোচ সংগ্রহ করা হয়নি। ফলে বিশেষ করে মিটারগেজ রুটে ইঞ্জিন ও বগির সংকট রয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, সরকার নতুন লোকোমোটিভ ও কোচ সংগ্রহের পাশাপাশি অকেজো ইঞ্জিন মেরামত করে চলমান সংকট মোকাবিলার চেষ্টা করছে। আন্তর্জাতিক টেন্ডারের মাধ্যমে এসব সংগ্রহে দুই থেকে তিন বছর সময় লাগে।

তিনি বলেন, নেত্রকোণা রেলস্টেশনের ওয়েটিং রুম আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্টেশনের টয়লেট নির্মাণের টেন্ডার ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে এবং দ্রুত কাজ বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হবে। আন্তঃনগর ট্রেনে অতিরিক্ত কোচ সংযোজনের বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বর্তমানে দেশের ৬৪টি জেলার মধ্যে ৪৯টিতে রেল সংযোগ রয়েছে। আমরা পর্যায়ক্রমে ৬৪টি জেলাকেই রেল নেটওয়ার্কের আওতায় আনতে চাই। তবে অগ্রাধিকারভিত্তিতে কাজ করতে হচ্ছে। আমাদের সক্ষমতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রেলের সেবা আরও সম্প্রসারণ করা হবে।’

নেত্রকোণার সম্ভাব্য নতুন রেললাইন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিষয়টি এখনও সিদ্ধান্তের পর্যায়ে যায়নি। সংশ্লিষ্ট এলাকার রেললাইন স্থাপন সংক্রান্ত দাবির পরিপ্রেক্ষিতে কর্মকর্তাদের নিয়ে সরেজমিন পরিদর্শন করা হয়েছে। বর্তমানে এর সম্ভাব্যতা যাচাই চলছে। জনস্বার্থ ও যাত্রীসেবায় প্রকল্পটি কার্যকর প্রমাণিত হলে সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে।

তিনি বলেন, ‘আমরা এমন কোনো প্রকল্প হাতে নিতে চাই না, যাতে জনগণের অর্থ অপচয় হয়। যেকোনো দাবি বাস্তবায়নের আগে মাঠ পর্যায়ে যাচাই-বাছাই ও সম্ভাব্যতা সমীক্ষা করা হবে।’

সরকারের লক্ষ্য সারা দেশে রেলসেবার মানোন্নয়ন এবং যাত্রীসেবা আরও সহজ ও আধুনিক করা হবে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।