প্রধানমন্ত্রী তার ভাষণে ১৯৮০-এর দশকের কিছু রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তকে ভুল হিসেবে উল্লেখ করেন, যার মধ্যে বেসরকারীকরণ এবং শিল্পায়নের অবক্ষয় অন্যতম। তিনি জানান, বহু অঞ্চল এখনও সেই ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে পারেনি। তাই কাদা ছোঁড়াছুড়ির রাজনীতি বাদ দিয়ে সমস্যা সমাধানের জন্য একটি সহযোগিতামূলক রাজনৈতিক মডেল তৈরির প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
যুক্তরাজ্যের নতুন এই প্রধানমন্ত্রী তার প্রধান অগ্রাধিকারগুলো তুলে ধরে বলেন:
ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ: ওয়েস্টমিনস্টার থেকে ক্ষমতা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া হবে।
জনস্বার্থ রক্ষা: মানুষের জীবনযাত্রার মৌলিক বিষয়গুলোকে আবারও সরকারি নিয়ন্ত্রণে আনা হবে, যাতে তা সবার সাধ্যের মধ্যে থাকে।
শিল্পায়ন: ব্রিটিশ শিল্পকে শক্তিশালী করতে দেশকে পুনরায় শিল্পায়নের পথে নিয়ে যাওয়া হবে।
১০ বছরের মহাপরিকল্পনা: চলতি বছরের শেষের দিকে ব্রিটেনের আগামী এক দশকের উন্নয়ন ও অগ্রগতির একটি রূপরেখা প্রকাশ করা হবে।
এ ছাড়া আগামীকাল থেকেই জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ন্ত্রণে সাধারণ মানুষকে স্বস্তি দিতে নতুন পরিকল্পনা এবং তা বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় তহবিলের উৎস ঘোষণা করার কথা জানিয়েছেন তিনি। একই সাথে শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার, তরুণদের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তা ও গৃহহীন মানুষের আবাসন নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেন নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী।