অন্যদিকে তুলনামূলক কম খরচের ‘হজ প্যাকেজ-২ (সাশ্রয়ী)’-এর আওতায় মক্কায় মসজিদুল হারাম থেকে দুই থেকে তিন কিলোমিটারের মধ্যে আবাসনের ব্যবস্থা রাখা হবে। মদিনায় মারকাজিয়া এলাকার বাইরে মসজিদে নববী থেকে ৮০০ মিটারের মধ্যে হজযাত্রীদের আবাসনের ব্যবস্থা থাকবে। মিনায় তাঁবুর অবস্থান নির্ধারণ করা হয়েছে জোন-৫-এ। এ প্যাকেজেও মিনা ও আরাফায় ‘সার্ভিস প্যাকেজ-৩’ অনুযায়ী সেবা এবং মোয়াল্লেমের মাধ্যমে খাবার সরবরাহ করা হবে।
তবে কোনো হোটেল মসজিদুল হারাম থেকে দুই কিলোমিটারের বেশি দূরে হলে সৌদি সরকারের বিধান অনুযায়ী হজযাত্রীদের জন্য সালাওয়াত বাসের ব্যবস্থা রাখা হবে। সাশ্রয়ী এই প্যাকেজের জন্য একজন হজযাত্রীর খরচ নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ লাখ ৫ হাজার ৬৪৮ টাকা।
এর আগে ২০২৫ সালে সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালনের জন্য দুটি প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছিল। ওই সময় মসজিদুল হারামের আশপাশে তিন কিলোমিটারের মধ্যে আবাসন সুবিধাসহ একটি প্যাকেজের খরচ ছিল ৪ লাখ ৭৮ হাজার ২৪২ টাকা। আর মসজিদুল হারামের দেড় কিলোমিটারের মধ্যে আবাসন সুবিধাসহ অন্য প্যাকেজের খরচ নির্ধারণ করা হয়েছিল ৫ লাখ ৭৫ হাজার ৬৮০ টাকা।
২০২৭ সালের হজ প্যাকেজে বিমান ভাড়া কমানোকে হজযাত্রীদের জন্য সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে। নতুন নির্ধারিত ভাড়ায় হজযাত্রীদের বিমান ভ্রমণের খরচ আগের তুলনায় ৩৭ হাজার টাকা কমবে বলে জানিয়েছে সরকার।