মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করার (ওভারস্টে) প্রবণতা কমাতেই এই নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। তবে অভিবাসন অধিকারকর্মীদের যুক্তি, এই পদক্ষেপের ফলে যুক্তরাষ্ট্রে বৈধ ভ্রমণ নিরুৎসাহিত হবে।
অধিকারকর্মীরা বলছেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর অভিবাসন দমন নীতি বাক্স্বাধীনতা ও আইনি প্রক্রিয়ার লঙ্ঘন। পাশাপাশি এটি জাতিগত সংখ্যালঘুদের জন্য একটি অনিরাপদ পরিবেশ তৈরি করছে এবং বর্ণগত বৈষম্যকে (রেশিয়াল প্রোফাইলিং) উসকে দিচ্ছে।
অন্যদিকে, ট্রাম্প জাতীয় নিরাপত্তা জোরদার করার স্বার্থে এসব পদক্ষেপকে অপরিহার্য বলে সাফাই গেয়েছেন।
ডোনাল্ড ট্রাম্প অবৈধ অভিবাসন রোধের কথা বললেও, তার প্রশাসন বৈধ অভিবাসনকেও আগের চেয়ে কঠিন করে তুলেছে। উদাহরণস্বরূপ, নির্দিষ্ট কিছু ভিসার আবেদনকারীদের জন্য নতুন ও ব্যয়বহুল ফি আরোপ করা হয়েছে। এছাড়া আবেদনকারীদের পাশাপাশি ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত অভিবাসীদের ক্ষেত্রেও সামাজিক মাধ্যম যাচাইয়ের (সোশ্যাল মিডিয়া ভেটিং) নিয়ম কঠোরভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে।
সূত্র: আল আরাবিয়া ইংলিশ