এর আগে ২০১৯ সালে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফের ভাই নওয়াজ শরীফের ক্ষেত্রেও অনুরূপ একটি চুক্তির মাধ্যমে চিকিৎসার জন্য লন্ডন যাওয়ার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছিল। তবে ইমরান খানের মুক্তির ক্ষেত্রে দেশত্যাগের বাধ্যবাধকতা, রাজনীতি থেকে দূরে থাকা এবং চুপ থাকার মতো কঠিন শর্ত জুড়ে দেওয়া হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ১৯৯২ সালের বিশ্বকাপজয়ী ক্রিকেট দলের এই অধিনায়ক অত্যন্ত আপসহীন চরিত্রের মানুষ হওয়ায় সহজে এই শর্তগুলো মেনে নেবেন না। মানবাধিকার আইনজীবী ও ইমরানের ব্যক্তিগত বন্ধু ক্লাইভ স্টাফোর্ড স্মিথ মনে করেন, ইমরান খান নিজের নীতিতে অটল থাকবেন এবং সামরিক নেতৃত্বও তাকে সহজে মুক্তি দেওয়ার ঝুঁকি নিতে চাইবে না।
২০১৮ সালে সামরিক বাহিনীর প্রচ্ছায়ায় ক্ষমতায় আসলেও পরবর্তীতে সেনাকর্তাদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ২০২২ সালে অনাস্থা ভোটে ক্ষমতাচ্যুত হন ইমরান খান। এরপর থেকে তাকে রাজনীতি ও গণমাধ্যম থেকে মুছে ফেলার সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে আসছে দেশটির সরকার ও সামরিক কর্তৃপক্ষ।
বর্তমান সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তালাল চৌধুরী অবশ্য সামরিক বাহিনীর কোনো ধরনের সম্পৃক্ততার কথা অস্বীকার করে জানিয়েছেন, ইমরানের মামলাগুলোর ফায়সালা একমাত্র আদালতেই হবে এবং মেডিকেল গ্রাউন্ডে তাকে জামিন দেওয়ার কোনো যৌক্তিকতা নেই।